আমরা প্রত্যেক জন আলাদা ইউনিক,আপনি যদি আমার কথায় বিশসাস না করেন তো এই লেখা পড়া বন্দ করে একটু আয়নার সামনে গিয়ে দাড়ান,কি দেখছেন?আপনার চেহারা তাই তো?
এই বার বলেন তো আপনার জীবন চলার পথে আপনি কখনো কি হুবহো কাউকে দখেছেন?দেখেন নি তো?তাহলে ভাবুন,এই এত্ত বড় দুনিয়ায় আপনার মতো আর এক জন নেই,
তার মানে আপনি আলাদা ইউনিক ,তার মানে কি দাড়ালো?আপনাকে আল্লাহ সম্পূর্ণ একক আর আলাদা ভাবে বানিয়েছেন,তার কারন আপনার থেকে আলাদা কিছু হবে,জদি আপনি চান তো,
আমাদের চরিত্র ফোটে উঠে সমাজের সাথে বসবাস করার মাধ্যমে,সমাজের আশেপাশে থেকে গ্রহন করা চরিত্র কে আমাদের জীবনে এমন ভাবে লালন করি যে আমাদের ব্যাক্তিগত যে আরেক টা চরিত্র আছে তা ভুলে যাই,
আর সেই ভুলে যাওয়া কে যদি মিত্যুর আগে আর কখনো সরন করতে না পারি তা হলে আমাদের আলাদা ইউনিক কাজটি আর করা হয়ে উঠেনা,আর সেই কারনে কেউ সাত তলায় কেউ আছি গাছ তলায়,
আমি বলছি না যে সবার সাত তলায় থাকতে হবে,তবে আপনাকে দিয়ে ইউনিক কিছু যে হবে তার গ্যারান্টি আমি দিতে পারি, যদি আপনার চেষ্টা থাকে তাহলে,
আসুন কি ভাবে ইউনিক কিছু এই সমাজের নিজের জন্য করে যেতে পারি তার আলোচনা ই করি, আমাদের সবার ই ব্যাক্তিগত একটা প্রতিবা আছে,তার একটা লিস্ট দেখা যাক,
কেউ খুব ভাল লিখতে পারি,আবার কেউ খুব ভাল বলতে পারি,কেউ খুব পরিশ্রম করতে পারি,আবার কেউ খুব অলস প্রকিতির ও হই,কারো মনে মায়া বেশি ত আবার কারো মনে কম,
এই সব কিছু ই আমাদের একেকটা প্রতিবা,তা সঠিক যায়গায় প্রয়োগ হলে ই আমাদের কে দিয়ে ইউনিক কিছু হবে,তার জন্য দরকার লক্ষ্য বা উদ্দ্যেশ্য স্তির করা,
সেই কাজ টা কি ভাবে করবো?আমার ক্ষুদ্র জ্ঞ্যানের আলোকে যে ঠুক বুজি তা ই আলোচনা করি,আমার দেখা অনুযায়ী এই সমাজের প্রত্যেক টা মানুষ একটা সুখি সুন্দর জীবন চায়,আর সেই সুখের জন্য কাজ করা লাগে,কাজ করতে হলে কাজ শিখা লাগে,লেখা পড়া করা লাগে,মানে সুখের আশায় অসুখের সাথে বসবাস,
এই কথা কেন বলছি জানেন?কারন কাজ করা সুখের নয়,একাডেমিক লেখা পড়া টা সুখের নয়,কিন্তু আমরা তা করি সুখের আশায়,কাউকে সেই সুখ ধরা দেয় আবার কেউ সেই অসুখের মধ্যে ই জীবন কে শেষ করে দেয়,
তা হলে কি এমন করে ই চলবে?এর প্রতিকার কি নেই?
আছে তার প্রতিকার,সমাজ দুনিয়া এডভান্স হয়েছে,দুনিয়া এখন আমাদের হাতের মুঠোয়,চাইলে ই অনেক কিছু সম্ভব,সাত তলায় না হলে ও গাছ তলায় আপনাকে থাকা লাগবে না,
যদি সেই সুখি সুন্দর জীবন আশা করেন তো পড়েন, দেখেন জানেন এবং শিখেন, আর শিখার পরে সেই শিক্ষা টা প্রয়োগ করেন,
আমরা সবাই আলাদা, ইউনিক, আর নিজের লক্ষ্য ঠিক রাখলে যে কেউ পৌঁছাতে পারে নিজের যায়গায়।
আমরা সবাই ইউনিক — নিজের পথ নিজে তৈরি করো
আমরা প্রত্যেকেই আলাদা। কথাটা হয়তো বইয়ে পড়া, অনেকের মুখে শোনা। কিন্তু আসলেই কি বিশ্বাস করি? যদি না করো, তাহলে এখনই আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়াও। দেখো, সেখানে যে মানুষটাকে দেখছো, সে একদম আলাদা। তার মতো মুখ, তার মতো গল্প, তার মতো স্বপ্ন এই দুনিয়ায় আর কারো নেই।
অনেক সময় আমরা অন্যের সঙ্গে নিজেদের তুলনা করি। ভাবি, "ওর মতো হলে ভালো হতো", "ওর জীবনটা কত সুন্দর"। অথচ, আমাদের প্রত্যেকের ভেতরে একটা ইউনিক পাওয়ার আছে। সেই পাওয়ারটা হলো নিজের লক্ষ্য আর স্বপ্ন।
যদি সেই লক্ষ্য ঠিক করে নেয়া যায়, আর তার দিকে প্রতিদিন একধাপ করে এগোনো যায়, তাহলে একদিন ঠিকই সেই স্বপ্নের জায়গায় পৌঁছে যাওয়া সম্ভব। কেউ সহজে পাবে, কেউ কষ্ট করে পাবে — কিন্তু যারা হার মানে না, তারা একদিন ঠিকই নিজের জায়গায় পৌঁছে যায়।
তাই আজকেই সিদ্ধান্ত নাও। অন্যকে দেখে নয়, নিজের আয়নায় তাকিয়ে নিজের স্বপ্নটা ঠিক করে নাও। মনে রেখো — তুমি ইউনিক, তোমার গল্পও ইউনিক। তুমি পারবেই।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন