শুক্রবার, ২৪ মে, ২০২৪

বনি ইসরাইল।

 পবিত্র আল কুরআন,হুজুর শায়েখদের কথায়,ইসলামের ইতিহাসে বেশি বেশি শুনা যায় একটি জাতির কথা। আর সেই জাতি হচ্ছে বনি ইসরাইল। আর সেই জাতির পরিচয় এতদিনে ওয়াজ নসিহত ইসলামের ইতিহাস বা আল কুরআন পড়ে থাকলে সবার জেনে যাবার কথা। তার পরেও সংকিপ্ত আকারে আলোচনা করি। হজরত ইব্রাহিম আঃ এর ২ সন্তানের একজন ইসহাক আর এক জনের নাম ইসমাইল। এই দুই জনের থেকে আলাদা গোত্রে ভাগ হয়ে বনি ইসরাইল আর বনি ইসমাইল হীসাবে এখনো আমরা এই দুনিয়ায় বসবাস করছি।

এই বনি ইসরাইল যে কারা আর বনি ইসমাইল কারা তা হুজুর শায়েখের বক্তব্যে ভাগ করে দিলে ও আমি সন্দিহান তাদের বলা কথায়। ব্যাপার টা খুলে না বললে জঠিল লাগবে। তার জন্য একটু খুলে বলতে চেস্টা করি।  ইসহাক আঃ এর গোত্র ধরে অনেক নবি রাসুল আগমন করলে ও ইসমাইল আঃ এর গোত্রে শেষ নবি আমাদের নবি হযরত মোহাম্মদ সাঃ ছাড়া আর কোনু নবি আগমন করেন নাই।

ইতিহাস আর ওয়াজ নসিহত থেকে বুজতে পারলাম আমরা মুসলিম মানে বনি ইসমাইল।আর অমুসলিম মানে বনি ইসরাইল। তবে আমার মতে বনি ইসরাইল ও বনি ইসমাইল দুই গোত্রের লোক জন ই মুসলিম আর অমুসলিম দুই জাতির ভিতরে ই আছে। তবে আল্লাহ ই ভালো জানেন। আমি কেন বলছি যে মুসলমানের ভিতরে ও বনি ইসরাইল গোত্রের মানুষ আছে তার আলোচনা করা যাক। 

আমাদের নবী ইসলাম প্রচারের সময় শুধু কি তার গোত্রের কাছে দাওয়াত দিয়েছিলেন? উত্তর হবে না। তার মানে নবীজি কোনু গোত্র বিশেষ নয় সারা দুনিয়ার সব গোত্র ততা সকল জাতির কাছে আল্লাহর বানি পৌঁছিয়েছেন। তার দাওয়াতের কল্যানে সব জাতির লোক জন থেকে ই মুসলিম হয়েছে। তার জন্য বলছি যে আমরা মুসলিম রা ও কেউ কেউ বনি ইসরাইল গোত্রের বংশধর। সে আমি আপনি যে কেউ হতে পারি।

বনি ইসরাইলের চরিত্রের একটা উল্লেখ যোগ্য দিক হল তারা অহেতুক প্রশ্ন করতো। সুরা বাকারার বাছুর নিয়ে আলোচনার অংশ ঠুক পড়লে তা অনুমান করা যায়। আর এখন আমাদের মুসলমানের চরিত্রের দিকে খেয়াল করলে দেখা যাবে আমরা ও ঠিক সেই কাজ গুলো ই করছি। ইসলামিক যে কোনু প্রশ্ন উত্তর পর্ব দেখলে পড়লে পরে আপনি ও লক্ষ্য করেছেন অবশ্য ই।

বনি ইসরাইল হই আর বনি ইসমাইল হই তা আমাদের জন্য দোষের কিছু নয়।তবে অহেতুক প্রশ্ন করা জতেস্ট পরিমানে দোষের এবং আমাদের সবার জন্য অকল্যানের। কারন বনি ইসরাইলি রা অহেতুক প্রশ্ন করে করে ই তাদের জীবন পরিচালনাকে কঠিন করে নিয়েছিল। আমরা মুসলিম রা ও শায়েখ হুজুর আর মাওলানাদের কে নানান রকমের প্রশ্ন করে আমাদের জীবন কে কঠিন করে নিতেছি।

আপনি জর্দা খাইলে পরে রোগে আক্রান্ত হয়ে মরবেন তার জন্য ডাক্তারি পড়ে জানা লাগবে না। তা হলে জর্দা হালাল না হারাম তা জেনে কি করবেন? আল্লাহ বলেছেন মন্দ কাজ থেকে দূরে থাকো ভালো কাজ করতে। আল কুরআন হচ্ছে আমাদের গাইড লাইন।আর নবিজির চরিত্র হচ্ছে আল কুরআন। তা হলে হজরত মোহাম্মদ সাঃ কবে থেকে নবী তার উত্তরে আপনার কাজ কি?




রবিবার, ১৯ মে, ২০২৪

আগেকার দিন গুলি।

 সময়ের কাছে আমরা সবাই অসহায় তবু ও সময় কে ব্যয় করে যাচ্ছি অবলিলায়। সময়ের অনেক গুরুত্ত থাকলে ও আমরা সেই গুরুত্ত্ব দিচ্ছি না। কেন যে দিচ্ছি না সেই কারন ও কেউ উপলদ্ধি করতে পারছি না। আমাদের চার পাশে এখন দেখি সবাই স্মার্ট ফোন হাতে নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা পার করে দিতেছি। সেই ঘন্টার পর ঘন্টা কি দেখে পার করেছি তা ও জানি না। না শিখছি না শিখাচ্ছি শুধু কারন ছাড়া সময়ের অপচয় করছি।


 

এই ভাবে আর কত? কবে শেষ হবে এই মোবাইল দেখা? কোনু দিন কি আর মোবাইল ছাড়া একটা দিন পার করতে পারবো? ইলেক্ট্রিক গেজেট বিহিন একটা দিনের জন্য নিজেকে কল্পনা করতে পারবো কি? কেমন ছিল আগের দিন গুলো? এই সব প্রশ্নের উত্তর খুজার চেস্টা করি।

মনে করি আমাদের কাছে কোনু মোবাইল নেই।বিদ্যুত নেই।গাড়ি দিয়ে যোগাযোগ করার ও কোনু ব্যাবস্তা নেই। এক কথায় কয়েক শ বছর আগের দুনিয়ায় বসবাস করছি। এমন একটি সকাল থেকে রাত অবদি যদি নিজেকে কল্পনা করি তা হলে কেমন হবে আমাদের দিন টা?

আশির দশকে আমার জন্ম হবার কারনে বই পুস্তকের গল্প ইতিহাস এর সহযোগিতা ছাড়া ত আর বাস্তবিক জীবন এর কথা বলা সম্ভব না।তার পরে ও নিজের অনুমান থেকে একটা দিনের কথা আলোচনা করি।

সকালে ঘুম থেকে উঠে হাত মুখ ধোয়ে পান্তা ভাত খেয়ে হয়তো কাজে বের হতাম। যেহেতু হেঁটে কাজে যাওয়া লাগবে তার জন্য প্রথমে ই আমাকে ভোর বেলা ঘুম থেকে উঠতে হতো। কাজের শেষে আবার হেঁটে বাড়ি ফিরতে হতো। এই যুগের সাথে মিলালে ও আমরা কাজ করতে সাধারনত ৮/১০ কিলোমিটার দূরে কোথাও গিয়ে কাজ করতে হইতো। তা হলে সকাল বিকাল আমাদের প্রায় ১৫/২০ কিলোমিটার হাটতে হইতো।

সারাদিনের কাজের পরিশ্রম আর ২০ কিলোমিটার হাটার পরে এসে বাড়িতে খাবার দাবার শেষ করার পরে কোনু প্রকার বিনোদনের জন্য মনে সায় দিতো না।আমরা তখন ঘুমিয়ে পড়তাম। তা হলে তো এক দিনের জীবন নিয়ে কথা বলে এখনকার আর আগের দিনের মধ্যে কি ব্যাবদান তা অনুমান করা যাবে না।তাই আগের  দিনের এক বছর আর একটা আধুনিক পরিবার এই রকম একটা গল্প আকারে লিখি । তার পরে দুই সময়ের উপকার আর অপকার নিয়ে আলোচনা করে দেখি কোন সময় টা বেশি ভাল।  

শুক্রবার, ১৭ মে, ২০২৪

কবে থেকে নবি?

গত কয়েক দিন ধরে শায়েখ আহমদুল্লাহ হুজুরের একটা বক্তব্য আর সে বক্তব্যের প্রতিবাদে মাওলানা গিয়াস উদ্দিন তাহেরি হুজুরের আলটিমেটাম মামলা করার হুমকি তার পক্ষে নিজুম মজুমদারের একাত্ততা প্রকাশ আর শায়েখ আহমদুল্লাহ হুজুরের পক্ষে ও ভিবিন্ন আলেম উলামাদের কথা বলা। আর আমার মতো ইসলাম সম্পর্কে অল্প বুজা কিছু কন্টেন্ট ক্রিয়েটারদের কন্টেন্ট কমেন্ট নিয়ে সোশ্যাল নেটওয়ার্ক খুব ই গরম। নবুওয়াতের শুরু কবে থেকে এই প্রশ্নের উত্তর কি আমাদের মিত্যুর পরে কবর হাশর বা কিয়ামতের মাঠের কোথাও জিজ্ঞেশ করা হবে?

নবিজি চল্লিশ বছর বয়সের আগে কি ধর্ম পালন করতেন তা জানা ও আমাদের জন্য খুব জরুরি কিছু না। কুরআন হাদিসের আলোচনায় আল্লাহ ও তার রাসুলের অনুশরন করার কথা বলা ছাড়া নবিজির রিসালাতের সময় নিয়ে খুব গুরুত্বপূর্ণ কোনু আদেশ নিশেধের কথা আছে বলে আমার জানা নেই। আর এই সামান্য বিষয় কে নিয়ে আমাদের এই জগড়া বিবাদের জন্য যে পাপ সংগ্রহ করছি তার ভাগ ও এই দুই শায়েখের কেউ ই নিবেন না।

নামাজ ৫ ওয়াক্ত। ফরজ রোজা ১ মাস ( রমজান )।


বৃহস্পতিবার, ১৬ মে, ২০২৪

ভাল কাজ।

 কখন কি ভাবে কি কাজ করলে পরে তা ভাল কাজ হয়? কোন ভাল কাজ না করা ই ভাল? আর ভাল কাজের সংজ্ঞা কি? এই সব প্রশ্নের উত্তর ভালো ভাবে না জানা থাকলে মানবতার ফেরিওয়ালা হতে বিরত থাকুন।একজন অন্দ রাস্তার  পাশে দাঁড়িয়ে থাকলে ই তাহাকে রাস্তা পার করে দিতে হবে না।আগে জিজ্ঞেস করে জানুন তার সাথে আর কেউ আছে কি না? রাস্তা পার হওয়া তার তখন দরকার কি না? যদি তার উত্তর হা হয় তবে ই তাহাকে রাস্তা পার করতে সাহায্য করুন।

ক্ষুধার্ত কাউকে খাবার দিবেন ভালো কথা তার আগে তার জন্য ক্ষতিকর কোনু খাবার তুলে দিলে ভালো কাজ হয় না। অভাবে থাকা কাউকে রিন দেয়ার নাম উপকার নয়। অল্প বুজতে পারা কাউকে জঠিল কথায় বুজানোর থেকে না বুজানো ই ভাল। এমন কিছু চিন্তার যায়গা থেকে কিছু লিখতে চেষ্টা করলাম।

যা পড়লে মানুষের মনে প্রশ্নও জাগবে, আবার চিন্তার খোরাকও পাবে। নিচে পুরোটা দিলাম:


 


ভাল কাজ, সময় আর মানবতার ফেরিওয়ালারা — কয়েকটা জরুরি কথা

আমরা প্রায়ই শুনি, ভাল কাজ করো, মানবতার পাশে দাঁড়াও, মানবতার ফেরিওয়ালা হও। কিন্তু কখন কি কাজ করলে সেটাকে ভাল কাজ বলা যাবে? সব সময় কি ভাল কাজ করা উচিত? আর ভাল কাজের সংজ্ঞাটাই বা কি? এই প্রশ্নগুলোর জবাব না জেনে, না বুঝে শুধু কথার ফুলঝুরি সাজিয়ে যদি কেউ মানবতার ফেরিওয়ালা হতে চায় — সেটা কি ঠিক?

চলুন একবার ভেবে দেখি।


ভাল কাজের সংজ্ঞা কি?

ভাল কাজ মানে এমন কিছু কাজ, যা অন্যের উপকারে আসে — কারও ক্ষতি না করে। আবার শুধু উপকার করলেই সেটা ভাল কাজ নয়। কাজটা করতে হবে সঠিক সময়, সঠিক পদ্ধতিতে। যেমন:

  • কারও ক্ষুধা মিটানো ভাল কাজ।

  • কিন্তু রাত তিনটায় দরজায় কড়া নেড়ে খাবার দিতে গেলে সে হয়তো ভয় পেয়ে যাবে। তখন সেটা আর ভাল কাজ থাকে না।

ভাল কাজ মানে মানবিকতা, বিবেকের আহ্বানে সাড়া দেওয়া। তবে সেটা সময়-পরিস্থিতি বুঝে।


কখন, কীভাবে, কি কাজ করলে পরে ভাল হয়?

সময় আর পদ্ধতি — এই দুইয়ের মিলন হলেই একটা কাজ ভাল হয়।

উদাহরণ:
একজন অসুস্থ মানুষকে সাহায্য করতে হবে।

  • রোগী শুয়ে আছে, তখন উপদেশ না দিয়ে পানি এগিয়ে দিন।

  • প্রয়োজন হলে তার ডাক্তার ডেকে দিন।

  • বিপদের সময় পাশে দাঁড়ান।
    এটাই ভাল কাজ।

তবে কেউ বিপদের সময় পাশে না থেকে পরে বড় বড় কথা বললে সেটা লোক দেখানো হয়ে যায়।


সবসময় কি ভাল কাজ করা উচিত?

না। সব সময় ভাল কাজ করা উচিত নয়। কারণ:

  • সব পরিস্থিতি ভাল কাজ করার উপযুক্ত না।

  • কারও ভালো করতে গিয়ে কারও ক্ষতি হলে সেটা আর ভাল কাজ থাকে না।

  • নিজের সামর্থ্য, সময়, পরিস্থিতি বুঝে ভাল কাজ করতে হয়।

উদাহরণ:
পড়ার সময় পাশের বন্ধুকে পড়া না পড়িয়ে আড্ডা দেওয়া 'ভাল বন্ধুত্ব' হতে পারে, কিন্তু নিজের পড়া নষ্ট করে দেওয়া ভাল কাজ নয়


ভাল কাজের সংজ্ঞা না জেনে ফেরিওয়ালা হওয়া ঠিক নয়

ভাল কাজ কি, কখন করতে হয়, কিভাবে করতে হয় — এই জ্ঞান ছাড়া কেউ যদি শুধু ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ নামে ঘুরে বেড়ায়, সেটা আত্মপ্রচার ছাড়া কিছুই না।

মানবতার ফেরিওয়ালা হতে হলে:

  • মানবতা বুঝতে হবে।

  • দয়া, সহানুভূতি আর বাস্তবতা জানতে হবে।

  • মানুষের প্রয়োজন বুঝতে হবে।

  • নিজের স্বার্থ ও অহংকার দূরে রেখে নিঃস্বার্থ হতে হবে।


শেষ কথা 

 

মানবতার ফেরিওয়ালা হওয়া সম্মানের। তবে সেটার জন্য আগে জানতে হবে কখন, কি ভাবে, কি করলে সেটা ভাল কাজ হয়। ভাল কাজের সঠিক সংজ্ঞা বোঝা জরুরি। নয়তো সেটা লোক দেখানো বা সময়ের অপচয় ছাড়া কিছুই হবে না।

ভাল কাজ করার আগে ভাল কাজ সম্পর্কে জানুন। তারপর সাহস নিয়ে এগিয়ে যান। তখনই আপনি সত্যিকারের মানবতার ফেরিওয়ালা হতে পারবেন।

 


বুধবার, ১ মে, ২০২৪

দলাদলি ছাড়েন।

 আসসালামু আলাইকুম ও রহমতুল্লাহ।অন লাইনের এই যুগে সুন্নি আহলে হাদিস চরমোনাই সালাফি হানাফি সাফিয়িই হাম্বলি জামাত আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত ছাড়া ও আর কত কি দলের নাম যে শুনতে পাই তার কোনু হিসাব নেই।একেক বার মনে হয় নবিজির বলা কথা আমার উম্মত ৭২ দলে বিবক্ত হবে কথার মনে হয় ষোল কলা পুরন হয়ে আর ও বাড়ছে।না জানা আর অল্প জানা আমরা যে সকল মুসলিম রয়েছি তাদের যে কি হবে সে উত্তর এক মাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কেউ ই জানেনা।



কে সঠিক আর কে বেঠিক তার ব্যাখা করার মতো জ্ঞ্যানি আমি নই।আবার এই অনেক দলের মধ্যে থেকে কোনু এক  দলে সহজে ভিড়ে জাবার মতো সহজ  সরল মানুষ ও আমি নই। আমি নাস্তিক নই।আল্লাহ এক হযরত মোহাম্মদ সাঃ আল্লার শেষ নবি। দুনিয়া ধংশ হবে।কিয়ামত ও শেষ বিচার দিবস আছে। এই কথা গুলো শত ভাগ বিশসাস করি। আল্লাহ ও তার রাসুল কে নিজের থেকে ও বেশি ভালবাসি এবং বাকিটা জীবন ও  ভালবাসতে চাই।কিন্তু এই দলাদলির ভিড়ে আমরা তা পারছি কি?

অল্প জ্ঞ্যানের পরিধি থেকে সকল হুজুর শায়েখ পীর মাশায়েখ দের প্রতি অনুরুধ একটু থামুন।আমরা না জানা আর অল্প জানা মুসলিমের সংখ্যা আপনাদের থেকে বেশি।আমরা আল্লাহ কে ভয় করি নবিজিকে ভালবাসি।তাদের দেখানো পথ অনুশরন করতে চাই। আর সেই সত্য টা মনে হয় খুজে বের করে আপনাদের বলে দেয়া টা খুব কঠিন কোনু কাজ নয়। আর যদি কঠিন মনে করেন তা হলে অন্যের টা বেঠিক আর আমি সঠিক তা বলা থেকে বিরত থাকুন।

দলাদলি বাদ দিয়ে সবাই এক কাতারে আসুন না হয় দল বানানো বাদ দিয়ে একাই চলুন।আমরা সাধারন মুসলিম কে বিব্রত করা থেকে বিরত থাকুন।নিয়ত করলাম না পড়লাম।হাত বুকে না নাভির নিচে বাধলাম।নামাজের পরে দোয়া করলাম কি না।রফাদায়িন করলাম কি না।আমিন জুরে না আস্তে বললাম এর কোনু কিছুর জবাব দিহি করতে হবে তা আল্লাহ ও তার রাসুল কখনো আমাদের বলেন নি। মিলাদ কিয়াম করে জান্নাতে চলে যাবার কথা ও কোথাও লেখা আছে তা আমার জানা নেই।

চুরি করা যাবেনা।অন্যের সম্পদ লুট করা যাবেনা।নিজের যে ঠুক আছে তা থেকে ই দান করা লাগবে।ইনসাফ ভিত্তিক জীবন চালাতে হবে।মিত্যা বলা যাবে না।আত্বিয় সজনের সাথে সু সম্পর্ক রেখে চলতে হবে।হিংসা করা যাবে না।অহংকার থাকা যাবেনা।নামাজ কায়েম করা লাগবে।অশ্লিলতা থেকে দূরে থাকতে হবে।শালিনতার সাথে পোশাক পরে চলতে হবে।এই গুলো ই তো আমাদের চরিত্রের মুল বিষয়াধি।এর বাহিরে খুব বেশি কিছু আছে কি?

আর এই মুলের ভিতরে কারো কোণূ মতবিরোধ আছে কি? নেই বলে ই আমি জানি।মতবিরোধ আছে শুধু মাত্র এই সবের ব্যাখা আর বিশ্লেশন নিয়ে।দয়া করে ব্যাখা বিশ্নলেশন নয় আল্লাহ বলেছেন তার কথা আর সৃষ্টি নিয়ে চিন্তা করতে তা করুন। মানুষ কে ভালো কাজের আদেশ করতে গিয়ে নিয়ম না বলে তার মতো করে ই ভাল কাজ করতে বলুন।দেখবেন নামাজি বাড়বে।দান ও করবে।চুরি ও ছাড়বে। আল্লাহ বলেছেন তার আদেশ জানিয়ে দিতে হেদায়েত তিনি ই দিবেন আপনি নয়।

কেউ গরিব ত কেউ ধনি।কারো বসবাস দালানে ত কারো বসবাস রাস্তায়।কেউ আছে কুড়ে ঘরে।প্রত্যেকে তার অবস্তান থেকে চিন্তা করে উপরে উঠার।আল্লাহ বলেছেন যা আছে তা থেকে ব্যয় করতে।না পাওয়ার অভিযোগ নয় শুকরিয়া আদায় করতে বলা হয়েছে। প্রজ্ঞ্যা প্রশান্তি এই সব আসে আল্লাহর নিকঠ থেকে। টাকা বা সম্পদ দিয়ে প্রশান্তি কিনতে পাবেন না।আর শুধু লেখা পড়া করে ই জ্ঞ্যানি হবেন তা ও হবে না যদি আল্লাহর নিকঠ থেকে রহমত না আসে।

আর আল্লাহর কাছ থেকে হেদায়েত প্রজ্ঞ্যা রহমত পেতে হলে সব শায়েখ আর আলেম উলামাদের কে দলাদলি না করে শুধু মাত্র আল্লাহ আর তার রাসুল যা বলেছেন তা প্রচার করলে ই চলবে।ব্যাখা করে নিজের মতো করে বাড়িয়ে বলার দরকার নেই। ব্যাখা ছাড়া ই আল কুরআনের কথা গুলো কত সুন্দর তা পড়ে চিন্তা করে নবিজি যে ভাবে বলেছেন সেই ভাবে উপস্তাপন করতে চেস্টা করুন। হেদায়েত আল্লাহ ই করে দিতে পারেন।



আমি কি করলাম বা করছি তার জবাব আপনাকে দিতে হবে না শেষ বিচার দিবসে।আবার আপনা কাজ কর্মের হিসাব ও আমার কাছে চাওয়া  হবে না। কিন্তু আপনি আমাকে আর আমি আপনাকে যদি কিছু বলে তা অনুশরন করাই তা হলে তার জন্য অবশ্যই তার জবাব দেয়া লাগবে।তাই কাউকে আপনার দলে ভিড়ানোর আগে ভেবে দেখুন।আল্লাহকে ভয় করুন।গভির জ্ঞ্যানের পরিধি না থাকলে কিছু ব্যাখা করে তা অনুশরন করতে কাউকে বলা থেকে বিরত থাকুন।

আমি যদি কোরআন হাদিস ইসলামের ইতিহাস পড়ে আমার মতো করে বুজে চলি তার জন্য আপনি আমাকে ভুল বলে আখ্যা দিতে পারেন না।আমার জ্ঞ্যান যে ঠূক আছে তা আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন। শেষ বিচার দিনে আমার কাছে জবাব চাওয়া হলে আমি বলতে পারি যে আল্লাহ সুবহানাল্লাহু তায়ালা আপনার দেয়া পবিত্র গ্রন্ত আল কুরআন পড়ে আমি এই ভাবে বুজে তা পালন করেছি।কিন্তু আপনি আমাকে ব্যাখা করে বুজিয়ে তা যদি ভুল প্রমান হয় তা হলে ?

জ্ঞ্যানের আলো সবার কাছে থাকে না। আল কোরআনের হাফেজ বা শায়খুল হাদিস মানে ই আপনি জ্ঞ্যানের আলোতে আলোকিত নয়।জ্ঞ্যানের নুর আসে আল্লাহর কাছ থেকে।আপনি ভিন্ন মতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হলে কখনো জ্ঞ্যানের গভিরতায় প্রবেশ করতে পারবেন না। মৌলিক বিষয় গুলো বাধ দিয়ে ছোট ছোট আমলের প্রতি মতবিরোধ করে নিজেকে সাথে অন্যকে জাহান্নামের দিকে ঠেলে দিয়েন না। সবার সাথে মিলে চলতে না পারলে একা চলুন।অন্যরা কি বলছে তা নিয়ে সমালোচনা করার আগে তা নিয়ে চিন্তা করুন।

আল্লাহ ও তার রাসুলের সব গুলো কথা কে নিয়ে আবার চিন্তা করুন।তার পরে মিলিয়ে দেখেন আপনার প্রতিবাদ বা একাত্ততা করার কোনু দরকার আছে কি নেই।না থাকলে তবে চুপ থাকুন।আর প্রতিবাদের মতো থাকলে পরে গঠন মুলক আলোচনার মাধ্যমে তা করুন।নবির কথা বলার সুন্না অনুশরন করুন। আমরা মানুষ প্রত্যেকেই ভাই ভাই।দুনয়াবি সমাজ ব্যাবস্তা আর শয়তানের দোকা নফসের খিয়ানতের কারনে আজকে আলাদা হয়ে কেউ আল্লাহর প্রিয় হতে পারছি না।

আমাদের প্রিয় নবি হযরত মোহাম্মদ সা: এর জীবনি দলাদলি না করে কয়েক জনের আলাদা লেখা বইটি পড়ুন। আল কুরআন বুজে পড়ার পাশাপাশি চিন্তা করে দেখুন। সুরা ফাতেহার সারাংশ সারমর্ম বুজতে পারলে ই ত আপনি বুজে ফেলার কথা আল্লাহর কাছে কি চাইতে হবে আর কি চাওয়া থেকে বিরত থাকা লাগবে। 

আসুন সবাই শুধু আল্লাহর রশি গলায় লাগাই।দলাদলি না করে অন্যের মমতামত কে সম্মান করি।যদি কারো কোথায় বুজ শিরিক পরজন্ত না পোউছায় তা হলে অযথা কলহ জগড়া না করি।আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক বুজ দান করুন,,, আমিন। 



মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৪

মানসিক শান্তি

 প্রত্যেক টা মানুষ তার জীবন জুড়ে কামনা করেন মানুসিক শান্তি। শিশু কাল তারুণ্যের সময় বা যৌবনে বারধৈক্ষে ও এই চাওয়া থেকে কেউ বিরত থাকতে পারেন না। তবে বয়স অনুযায়ী সে মানুসিক শান্তির মধ্যে কিছু টা ব্যাতিক্রমতা আছে।শিশু কালে যেহেতু ভালো মন্দ কিছু বুজার ক্ষমতা আমাদের থাকে না তো সেই সময়ের মানুসিক শান্তি ব্যাপার টা ও একটা আলাদা ধরনের ভাব থাকে। 


 

তখন আমরা খেলা দুলা খাওয়া দাওয়া আর ঘুমের পাশাপাশি যে কোনো আবদার পুরন মানেই মানুসিক শান্তি। তবে না বুজার কারণে অন্যায় আবদার ও করি কিন্তু তা পুরন হয় না বলে ই কষ্ট পাই।সেই কস্ট পাওয়া হলো তখকার মানুসিক শান্তি না পাওয়া। কিন্তু বুজতে পারি না যে সেই অশান্তি টা কল্যাণের জন্য।  

তারুণ্যের সময় টা মানুসিক ভাবে শান্তি লাগে চারদিকে হই হুল্লোড় করে ঘুরে বেড়ানো খেলাদুলা ভালো খাবার দাবার ঘুম আর অভিবাবক থেকে শাস্তি না শুধু স্নেহ ভালোবাসা পাওয়া। তবে তখন মানুসিক শান্তি কেড়ে নেয় স্কুলে জাওয়া আসা লেখা পড়া করা হোমওয়ার্ক আর অভিবাবকদের ধমক খাওয়া। তখন ও আমরা বুজি না যে আমাদের এই মানুসিক অশান্তি আমাদের ভবিষ্যত কল্যাণের জন্য। 

যৌবনের মানুসিক শান্তি খুঁজে ফিরি না না উপায়ে।তখন আমরা যে ধরনের পরিবেশে থাকি তার প্রভাব ই আমাদের মানুসিক শান্তি /অশান্তি কে ব্যাঘাত ঘটায়। হয়তো প্রেম করে প্রেমিকার থেকে মানুসিক শান্তি খুজি।আবার কেউ বাবার টাকা ব্যয় করে নানান অপকর্মে মানুসিক শান্তি খুঁজে বেড়াই।কেউ লেখা পড়া বাদ দিয়ে সংসারের হাল ধরে পরিবারের সবার মুখে হাসি দেখে মানুসিক শান্তি খুজি।

তবে এই সময় আমাদের কে মানুসিক ভাবে শান্ত থাকতে অনেক কষ্ট হয়।সব সময় অস্তিরতা অনুভব করি। কারো কথা শুনে চলতে ভালো লাগে না। নিজের কাছে সমাজ বদলে ফেলতে ইচ্ছে করে। চলমান সমাজ ব্যাবস্তাকে সুন্দর মনে হয় না। অথচ এই বদলে ফেলতে না পারা টা মানুসিক অশান্তি। কিন্তু সেই মানুসিক শান্তি না পাওয়ার প্রত্যেক বিষয় ই থাকে আমাদের জন্য কল্যানের।

এখন আমাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে আমরা চাই যেখানে মানুসিক শান্তি সেখানে না পাওয়া টা কল্যানের হয় কি করে? আমি উপরের লেখাতে বয়স ভিত্তিক ভাবে কি কি কারনে আমরা মানুসিক শান্তি পাইনা তার অল্প কিছু উল্লেখ করেছি। কিন্তু এর আলোচনা অনেক ভিস্তর।

মানুসিক শান্তির জন্য প্রথম শর্ত সন্তুষ্টি।

মানসিক শান্তি ও সন্তুষ্টি আমার অল্প কিছু ভাবনা।

প্রত্যেক মানুষের জীবন জুড়ে যে কামনা সবচেয়ে বড়, তা হলো মানসিক শান্তি। শৈশব, কৈশোর, তারুণ্য কিংবা বার্ধক্য — জীবনের প্রত্যেকটা পর্বেই মানুষ এই শান্তির খোঁজ করে। তবে বয়সভেদে মানসিক শান্তির ধরন ও প্রয়োজনের মাঝে কিছুটা পার্থক্য দেখা যায়। শিশু অবস্থায় ভালো-মন্দের সুস্পষ্ট ধারণা না থাকায় তাদের মানসিক শান্তি হয় নিঃশর্ত এবং সরল অনুভূতির। খেলাধুলা, ভালোবাসা, ও যত্ন-আত্তির মাঝেই শিশুরা শান্তি খুঁজে পায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের চাহিদা বাড়ে, জীবনের নানা ব্যস্ততা আর দুঃশ্চিন্তা মানসিক শান্তিকে প্রভাবিত করে। এই শান্তি অর্জনের জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো সন্তুষ্টি। নিজের যা আছে, যা অর্জন হয়েছে — তাতে সন্তুষ্ট থাকতে পারলেই অন্তরের প্রশান্তি আসে। কারণ অতিরিক্ত প্রত্যাশা আর লোভ মানুষকে অশান্ত করে তোলে। তাই জীবনে সুখ ও মানসিক শান্তির প্রথম এবং প্রধান শর্ত হলো অন্তরের সন্তুষ্টি। যে ব্যক্তি নিজের বর্তমানকে মেনে নিয়ে, ছোট ছোট আনন্দ উপভোগ করতে জানে, সেই প্রকৃত অর্থে মানসিক শান্তি লাভ করে।

 

বুধবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৪

আগেকার দিন গুলো।

 আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয় ইহাতে কোনো সন্দেহ নেই। বরতমান আধুনিক বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আমাদের হাতের নাগালে সকল তত্য উপাত্য। সত্যি মিত্যা নির্বাচন করতে আমাদের কে এখন আর খুব বেশি বেগ পেতে হয় না। যে কোনো কিছু কে জানার প্রয়োজন হলে আমরা গুগলে সার্চ করি আর পেয়ে জাই। 

কিন্তু আগেকার দিনে যে কোনো তথ্য খুঁজে পেতে অনেক জামেলা পোহাতে হতো। অনেক জ্ঞানী গুনি মানুষ খুঁজে তাদের মতামত নিয়ে পরে সেই জামেলার সমাধানে পোউছাইতে হইত। তার পরে ও সঠিক সমাধান হইতো কি না মনে সন্দেহ থেকে যেতো। 

আজকের দিনে উন্নত জোগাজোগ ব্যাবস্থা আর ইন্টারনেটের মাধ্যমে আমরা অনেক কঠিন কিছু কে ই সহজে সমাধান করে ফেলি। বিজ্ঞান প্রযুক্তি আর মানুষের চিন্তা ভাবনা অনেক ডেভোলেপ হয়েছে।ফেসবুক ইউটিউব দেখলে মনে হয় আমাদের সবার জ্ঞ্যানের পরিধি বিশাল। সবার কাছে লোকায়িত হাজার রকমের প্রতিবা।



কিন্তু এত এত প্রতিবা জ্ঞ্যানের ছড়াছড়ি থাকার পরে ও আগেকার দিনের কষ্টে অর্জন করা তথ্য উপাত্যের যে আনন্দ তা আর খুঁজে পাই না। শুধু মাত্র আনন্দের অনুভূতি ই না আরও কিছু আছে।এখন ফেসবুক আর ইউটিউবের রিল দেখার জন্য  তথ্য কাছে থাকার পরে ও তা মনে রাখি না।

আগের দিনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আমাদের চারপাশে অপ্রয়োজনীয় অনেক আজগুবি মিত্যা গল্প ছিল। সেই গল্পের প্রতি ও আমাদের বিশ্বাস ছিল। সেই বিশ্বাসের কারণে আমদের মনে কিছু ভয় ছিল। সেই ভয়ের জন্য আমাদের অন্তর কে পাপাচার থেকে দূরে থাকতে নানান ভাবে সাহায্য করতো।

কিন্তু এখনকার পৃথিবীতে আমরা আর আগের দিনের মতো সেই আজগুবি মিত্যা গল্পের প্রতি বিশ্বাস রাখি না। আর সেই না রাখার ফলাফল হিসাবে অনেক পাপ কে আমারা পাপ ই মনে করি না। এমন কি চাল চলন সব কিছুতেই রয়েছে আধুনিকতার ছোয়া।আর এই আধুনিকতা আমাদের কে সুরা ফাতেহায় পাঠ করে কামনা করা আমাদের সরল পথ দেখাও কথাটির থেকে ও দূরে ঠেলে দিচ্ছে। 

যদিও আমরা সত্য কে জানতে আর মিত্যাকে পরিহার করতে শিখেছি তবে সেই সত্য টা আর সত্যের মতো করে কাজে লাগাতে পারছি না। এর কারণ হলো আমাদের আগের দিনের গল্পের মধ্যে যে ধরনের উপস্তাপন ছিল তা ছিল জ্ঞ্যানি মানুষের মাঠে ঘাটে চলাচলের পরে তা একটা কাল্পনিক চিত্র হিসাবে তুলে ধরা।

সেই উপস্থাপন ছিল  মনোমুগ্ধকর ।তাদের বলা কথা গুলো আমাদের রিদয় ছুয়ে যেতো। 

আগের দিনে কুরআনের অর্থ সহজে পাইতাম না।তবে হুজুর দের কথা আর ব্যাখ্যা শুনে আমরা তা পালন করতাম। যদিও সেই গুলো অকপটে মেনে নিতে আপত্তি ছিল না। কিন্তু এখন আমাদের হাতে মোবাইল আছে।ইন্টারনেট আছে তাই কেউ কোনো কথা বলার সাথে সাথে মিলিয়ে দেখি। সেখানে আবার আমি নিজের মতো করে ব্যাখ্যা করতে চেস্টা করে হুজুরের ভুল ধরি।এই সবের জন্য আজকে আমরা ধংশ।

কারণ আপনি কুরআন হাদিস পড়ে ই সব কিছু নিজে থেকে বুজে নিতে পারবেন না। আল্লাহ যে কথা গুলো আমাদের কে বলেছেন তা অতি সহজ হবার পরে ও ভাবতে বলেছেন।দুনিয়ায় বিচরণ করতে বলেছেন। এই রকম বই পড়ে আমাদের আগেরকার জনগোষ্ঠী গোমরা হয়েছে তা ও বলেছেন। তার মানে আপনি কুরআন পড়ার পাশাপাশি ভাবনা আর দুনিয়ায় বিচরন করে নানান সামাজিক প্রতিবন্ধকতা ও প্রকৃতি না দেখে মনগড়া ব্যাখ্যা করলে পরে গোমরা হতে পারেন। 

ভালো মন্দ বুজার মতো জ্ঞ্যান সবার কাছে ই আছে।আপনি কখনো ই কোনু উচু বিল্ডিং থেকে লাফ দিবেন না।জলন্ত কয়লা হাতে নিবেন না।চলন্ত গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে পড়বেন না।এই না করার কারন আপনি মরে যাবেন না হয় পুড়ে জাবেন।হাত পা ভেঙ্গে জাবে।দুনিয়ায় বিপদ নিশ্চিত জানলে সেই পথে আমরা পা বাড়াই না। কিন্তু মরবেন আর মরার পরে একটা শেষ বিচার দিবস আছে সে দিন দুনিয়ার সব কাজ করমের জবাবদিহি করা লাগবে তা হয়তো শতভাগ বিশসাস করতে পারছেন না।তা পারলে ই আপনি সফল।

আমার দেখা কিছু কথা তুলে ধরছি  


 

৯০ দশকের দিনগুলো

সে সময়ের সকালটা ছিলো রেডিওর খবর আর সাদা-কালো টিভির 'ছোটদের আসর' দিয়ে শুরু। গ্রামের বাড়িতে বা শহরের পাড়ায় পাড়ায় তখনো বিকেলে ক্রিকেট খেলা হতো হাতে বাঁশের স্টাম্প আর টেনিস বল দিয়ে। হঠাৎ সন্ধ্যায় কারেন্ট চলে গেলে, সবাই মোমবাতি জ্বেলে গল্প করত, ভূতের গল্প থেকে শুরু করে গ্রামের পুরোনো দিনের কাহিনি।

স্কুল থেকে ফিরেই ডানা মেলে দিতাম পাড়ার মাঠে। 'চোর-পুলিশ', 'বাঁশ কেটে নৌকা বানাবো', 'গুটি দাড়া' — কত রকম খেলা!

বাড়ির ভেতর তখন সবার প্রিয় ছিলো 'ক্লান্ত দুপুরের' বই পড়া। 'বটতলা প্রেস'-এর উপন্যাস থেকে শুরু করে 'সন্দেশ' আর 'আনন্দমেলা' পত্রিকা — ছেলেমেয়েরা রীতিমতো লাইন দিত পড়ার জন্য।

সন্ধ্যায় একসাথে বসে 'বাকের ভাই', 'নক্ষত্রের রাত', 'কোথাও কেউ নেই' দেখতে দেখতে চোখের কোণে জল আসতো।

৯০ দশকের বাজার মানেই হাট থেকে বাবার হাতে করে আনা চটের ব্যাগ ভর্তি শাক-সবজি। ঈদের দিনে নতুন জামার গন্ধ, পাড়া-মহল্লায় ফ্রিজে রাখা বরফের ঠান্ডা শরবত আর চুনাপাথর মিশ্রিত পানা খাওয়া।

আর ছিলো চিঠি। সাদা খাম আর গোলাপি পোস্টকার্ডে আবেগ লেখা থাকতো, মাইলের পর মাইল পেরিয়ে পৌঁছে যেত প্রিয়জনের কাছে। মোবাইল তখনো কল্পনাতেই।

ও দিনগুলো এখন স্মৃতির পাতায়। তবু আজও হঠাৎ কোনো পুরোনো গান, বা পুরোনো সাদা-কালো ছবি দেখলে মনে হয় — আহা, ফিরে যাই যদি সেই ৯০ দশকে!

অসমাপ্ত""""""""