শুক্রবার, ৮ মার্চ, ২০২৪

সাহসিকতা,

সাহস আর ভয় এই দিয়ের মধ্যে আমরা সবাই পরিচিত। আমাদের সবার কাছে ই এই সাহস আর ভয়ের উপস্তিতি রয়েছে। সাহস আর ভয়ের জন্য কি কোনু ট্রেনিং আছে? কখন কি ভাবে সাহসের  আর কখন কি ভাবে ভয়ের ব্যাবহার তার কি কোনু ধারনা আমাদের আছ্র? এই বিষয়ে যত কথা আলোচনা আর গবেষণা আছে তা নিয়ে আজকের এই আলোচনা।

সাহস সব সময় গর্জন করে না । মাজে মাজে দিনের শেষে শান্ত কন্টস্বর বলে আমি আগামিকাল আবার চেস্টা করবো। কথা টা  বলেছেন, মেরি অ্যানর জাডমাচার।

বিশ্বে সাহসের সব চেয়ে বড় পরিক্ষা হলো হৃদয় না হারিয়ে পরাজয় সজ্য করা। রবাটগ্রিন ইনগার সোলের বানি। আর ও আছে সাফল্য চুড়ান্ত নয় ব্যারথতা মারাত্বক নয়  জীবন চালিয়ে যাওয়া টা গুরুত্বপূর্ণ। (উইনস্টন চারচিল) সাহস নিয়ে এই রকম হাজার ও উক্তি আছে ভিবিন্ন গুনিজনের কথায় আর নানা রকম বইয়ের পাতায়। কিন্তু বাস্তবতায় সাহসের প্রয়োগ কি এই সব উক্তির আদলে ব্যাবহার করা সম্ভব?

ভয়ের ব্যাপারে ও এক ই ধরনের সমস্যা আছে।গুনিজনের কথা আর  বইয়ের পাতায়  যে সকল উক্তি আছে তা আপনি বাস্তবতার সাথে ব্যাবহার করতে পারবেন না। সমাজের সাথে চলতে গিয়ে তা সবাই  কিছু না কিছু উপলদ্ধি করতে পেরেছেন। ভয় কে জয় করা আর সাহস কে শান  দেয়া র মোটিভেশন কি ভাবে করা যায় ?

গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয় নিয়ে  কিছু লিখবো এই আশা করছি।


বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪

সংবাদ

 সংবাদ/খবর/বিবরন ছাড়া আর কি বলা যায় মনে পড়ছে না। তবে যে তিন টা শব্দের ব্যবহার করেছি তা আশা করি সবাই বুজতে পেরেছেন, সংবাদ বলতে আমরা জা বুজি তার মানে হলো আমাদের চারপাশে যে সকল ঘটনা দুরঘটনা ঘটে থাকে তা সবার মাজে পোউছাই দেয়া কে সংবাদ বলা হয়,

এই সংবাদ বলা শুনার প্রয়োজনীয়তা কি? তা আমার কাছে একটা কোউতুহল বলা যায়, কারণ অন্যের কাহিনি শুনে তা আমার কি কাজে লাগবে? তা আমার বোধগম্য নয়, কিন্তু খবর বা সংবাদ শুনা আর জানার আগ্রহ অনেক। 

যে বস্তুর উপকারিতা সম্পর্কে জানা নেই সেই বস্তুতে আগ্রহ তা সত্যিই অবাক হবার বিষয়, আচ্ছা এখন কেন যেন মনে হলো যে সংবাদ দিয়ে আমার উপকারিতা নেই তার পরে ও শুনার অতি আগ্রহ তা হলে সেই আগ্রহ আবার কোনো ক্ষতির কারণ হচ্ছে না তো?

এইবার ভাবতে শুরু করি যে সংবাদ শুনে আমার মনে কি রকম প্রতিক্রিয়া হয়।তা শুনে আমি কি চিন্তা করি? কেন সংবাদ শুনতে এত আগ্রহী আমি? তার ব্যাখা করা শুরু করি। 

ভাবতে গিয়ে অবাক লাগে যে আমার এই খবর শুনার আগ্রহ আমাকে আমার জীবনের অনেক টা সময় কেড়ে নিয়েছে, অনেক ভাল মন্দ খবর শুনে কত যে ভাবতে আর বলতে ব্যয় করছি তার হিসাব করি নাই, 

আর আজকে জখন হিসাব মিলাতে গেছি তখন আর এই সময় কে ফিরে পাবো না, অন্যের খবর শুনতে দেখতে আর পড়তে গিয়ে নিজের জীবনের খবর করে দিছি,  আর এই নিজেকে খবর বানিয়ে ফেলা আমি সংবাদ থেকে কখনো কিছু বিনোদন পাইলে ও কষ্ট পেয়েছি তার থেকে অনেক বেশি, তবুও খবর শুনেছি শুনছি,

তবে এতদিন কেন ভাবিনি? আর এখন কেন ভাবতেছি? তার বিস্তারিত আলোচনা করবো, আগে খবর শুনার মাধ্যম ছিল রেডিও টেলিভিশন আর সংবাদপত্র, এই গুলো থেকে আমরা ভিবিন্ন বিনোদনের পাশাপাশি খবর ও শুনতে পারতাম,। তার মধ্যে সব সময় সমাজের অসংগতি ছাড়া ও জরুরি নানান বিষয় কে সংবাদের মাধ্যমে তুলে ধরা হতো,

কিন্তু এখন তত্য প্রযুক্তির এই উন্নত দুনিয়ায় সংবাদের নামে চারিদিকে চলছে বেলাল্লাপনা, যা খুব ই হতাশার। আর এই হতাশা জনক বিষয় দেখে আমি মর্মাহত। 

মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪

একটি সুখি জীবন

 শামীম তার জন্মের পর থেকে এখন বয়স চল্লিশ বছর নয় মাস এগার দিন পার করেছে, শাহেদ তার থেকে প্রায় পাঁচ বছরের বড়, শামিম শাহেদ দুই জনে খুব ভাল বন্দু, এক জন আরেক জনের সাথে খুব ই কনিস্ট, কেউ কাউকে মনের কথা বলা ছাড়া থাকতে পারে না ,কিন্তু শাহেদের মনে একটা ই প্রশ্ন? শামিমের কাছে কখনো ভালো নেই, সমস্যায় আছি, জামেলা আছে, এমন কোনু কথা এক বারের জন্য ও শোনে নি, ব্যাপার টা শাহেদের কাছে যখন খেয়াল হলো, তখন তো সে এতটা ই অবাক হইলো যে কি ভাবে সম্ভব? শামিম কে প্রশ্ন করে জানবে তা ও ঠিক লাগছে না,

শাহেদ তার অন্যান্য বন্দুদের কাছে জানতে চাইলো যে শামিম এর কাছে কখনো কি তার কোনু প্রকার সমস্যার কথা শুনেছে কি না, যে কয়েক জনের কাছে জিজ্ঞেস করা হইলো সবার উত্তর এক ই যে কখনো শামীম বিপদে আছি সমস্যায় আছি একটু সাহাজ্য দরকার এমন কোনু কথা তার কোনু বন্ধুকে বলে নি, শাহেদ,নাজিম,সোহেল,সিদ্দিক,মাছুম এই পাঁচ জন এক সাথে বসে এই নিয়ে কথা বলছিল, তাদের কথা বলা অবস্তায় শামিম এসে উপস্তিত হলো,

আসসালামু আলাইকুম ও রহমতুল্লাহি ওবারাকাতু, এই ভাবে সবাইকে সালাম দিয়ে কুশল জিজ্ঞেস করলো সবাইকে,শাহেদ রা ও সবাই সালামের উত্তর দিয়ে শামিমের খোজ খবর জানতে চাইলে শামীমের উত্তর আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি, শামীমের উত্তর শুনে শাহেদ নাজিম সোহেল রা একে অন্যের দিকে চাওয়া চাওয়ি করলে ও কেউ কোনু কথা বলে না,

শামীম তাদের এই দিকে কোনু লক্ষ্য না করে ই প্রশ্ন করে তোদের কি খবর ,কেমন যাচ্ছে তোদের দিনকাল? শামিমের প্রশ্ন শুনে সবাই একে একে তাদের কথা বলতে থাকে, জমে উঠে ছোট খাট একটা আড্ডা, কিছুক্ষন আড্ডা দেয়ার পর যে জার মতো করে চলে যায় , থাকে শুধু শাহেদ , শামীম বলে চল উঠা যাক, শামীমের কথায় শাহেদ নড়ে ছড়ে বসে, বলে চল, দুই জনে যে জার গন্তব্যের দিকে হাটা শুরু করে,

শাহেদের মনের মাজে জমে থাকা শামিমের সুখি জীবন এর মানে টা কি হতে পারে? এই ভাবনা সে কিছুতে ই তার মন থেকে সরাতে পারছে না, সত্যি ই কি শামিম সুখি? আসলে ই কি তার জীবনে কোনু সমস্যা নেই?  না কি সে তার সমস্যার কথা তার বন্দুদের সাথে শেয়ার করে না? এমন তো হবার কথা নয়, কারন শামীম তার জীবনের খুটিনাটি সব ই শাহেদের সাথে শেয়ার করে থাকে,

এই তো সে  দিন তার বাসায় সামান্য জালমুড়ি বানিয়ে খাওয়া নিয়ে কি মজা করে ই না একটা গল্প বলে গেল, যে বন্ধু বাড়িতে সামান্য জাল্মুড়ি বানিয়ে খাওয়া নিয়ে গল্প করতে ভুলে না সে সমস্যায় পড়লে তার সাথে শেয়ার করবে না এমন টা হতে পারে না, শাহেদ শামীম কে নিয়ে এতটা ই ভাবনা শুরু করে যে এখন মনে হচ্ছে শামিমের সুখি জীবন টা শাহেদ কে অসুখি করে তুলেছে,

শামীম পেশায় একজন ব্যাংক অফিসার, একটা প্রাইভেট ব্যাংকে চাকরি করে, নিজের শহরে ই, শামীমের বাড়ি শহরের কাছে হওয়ায় সে তার নিজ বাড়ি থেকে যাতায়ত করে অফিসে, অফিসে সে তার দায়িত্তে থাকা কাজ সে জতাজত পালন করে, অফিস শেষে ঠিক সময়ে বাড়ি ফিরে আসে, বাড়ি ফেরার পথে সংসারের প্রয়োজনিয় বাজার করে নেয়, বাড়িতে শামিমের মা বাবা ছোট ভাই ছাড়া ও তাদের দুই ভাইয়ের বউ এবং শামিমের দুই সন্তান আর তার ছোট ভাইয়ের একটা সন্তান রয়েছে,

শাহেদের মনে প্রশ্ন? শামিমের পরিবারের কাউকে নিয়ে ও ত সে কখনো কোনু অভিজোগ করতে শুনি নাই, তার স্ত্রীর সাথে ও কখনো কোনু মনমানিল্য হয়েছে এই রকম কোনু কথা শাহেদ কে বলছে তা ও মনে পড়ছে না, how possible ?

শাহেদের এই অবাক করা শামিমের লাইফ স্টাইল নিয়ে ভাবতে গিয়ে সে এখন রিতিমত শামিমের পিছনে গোয়েন্দাগিরি শুরু করে দিয়েছে, শামীম কি করে? কোথায় যায় ? কি বাজার করে? বাবা মায়ের সাথে তার কেমন ব্যাবহার? শামিমের বউয়ের সাথে তার কেমন ব্যাবহার? ছোট ভাইয়ের চাওয়া পাওয়া কি? সব কিছু কে শাহেদ খুঁটিয়ে দেখার চিন্তা করে,

কিন্তু সে তার চলাফেরা আছার ব্যাবহার থেকে কোনু প্রকার স্পেসাল কিছু ই খুজে পায় না , শুধু এই একটা ব্যাপার ই লক্ষ্য করে যে সবার সাথে তার কথা বলার ধরন এবং চলাফেরা টা খূব সাভাবিক, তবে শামিমের কথা বলার ধরন খুব ই চমৎকার, আর সে কথা বলে খুবই ঘুছিয়ে, আর এই ভাবে সে শুধু বাড়ির লোকজন নয় বাড়ির বাহিরে বন্দু বান্দবের সাথে ও এক ই ভাবে কথা বলে, শামিমের সাথে কথা বলে কখনো কারো ই বিরক্তি লাগবে না,

শাহেদ বেশ কয়েক দিন শামিমের চলাফেরা আচরন বিদি পর্যবেক্ষণ করে নিজেই ক্লান্ত , তবুও শামিমের সুখি জীবনের রহস্য বের করতে পারলোনা, কয়েক দিন উন্মাদের মতো চলে শাহেদ অসুস্ত হয়ে পড়ে, শাহেদের অসুস্ততার খবর শামীমের কাছে পৌঁছাইলে শামীম শাহেদ কে দেখার জন্য তার বাড়ির দিকে রওয়ানা দেয়, শাহেদের বাড়ি শামীমের বাড়ীর কাছাকাছি  হওয়ায় সেখানে পৌঁছাতে খুব বেশি সময় লাগে না।

শামীম শাহেদের বাড়ীর উঠান থেকে ই শাহেদ কে ডাক দেয়, শাহেদ ''''' বাড়ী আছোত? শামীমের ডাকে শাহেদ জবাব দিয়ে বলে হা ঘরে ই আছি ভেতরে আয়।শামীম শাহেদের ঘরে প্রবেশ করতে করতে শাহেদ কে সালাম দিয়ে জিজ্ঞেস করে শুনলাম তোর শরীর অসুস্থ তা কি হয়েছে? 

শাহেদ শামীমের প্রশ্নের উত্তর দেয় তেমন কিছু না এই একটু জর ঠান্ডা ঔষধ এনেছি /খাইতেছি ঠিক হয়ে যাবে। তোর কি খবর সব কিছু ঠিক আছে তো?শামীম জবাব দেয় আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি আর আল্লাহর রহমত সব কিছু ঠিক আছে। 

দুই জনের আলাপচারিতা শেষ করে শামীম শাহেদের থেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে যায় আর শাহেদ কে বলে যায় সে যেন কোনো প্রয়োজন হলে শামীম কে খবর দেয়।শামীম চলে যাবার পরে শাহেদ তার বউকে ডেকে জিজ্ঞেস করে যে আচ্ছা তুমি কি কখনো শামীমের বউয়ের কাছে তাদের সংসারের কোনো সমস্যা ঝগড়া বিবাদ কথা শুনেছ?

শাহেদের বউ জবাব দেয় কই না তো।শামীম ভাই এর বউ তো কোনো দিন ই তাদের সংসারের কোনো সমস্যা ঝগড়া বিবাদ হইছে এমন কেনো কথা গল্পের ছলে ও বলেন নি।কিন্তু তুমি এই কথা জিজ্ঞেস করছো কেন কি হয়েছে কোনো সমস্যা? 

মেয়ে মানুষ এর মধ্যে একটা দুশ তারা কিছু শুনলে আর কৌতুহলের শেষ থাকে না। শাহেদের বউ ও এর ব্যাতিক্রম নয়।শাহেদের প্রশ্ন শুনার পর থেকে সে শামিম তার বউ তাদের পরিবার নিয়ে নানান প্রকার প্রশ্ন করে শাহেদ কে রীতিমত বিব্রত করে ছাড়লো।শাহেদ একটা সময় বিরক্ত হয়ে বউকে ধমক দিয়ে থামাতে হইলো, 



সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪

কি হতে পারতাম?

 আমি এখন কি অবস্তায় আছি? আর কি হতে পারতাম? তা ই হচ্ছে আমার ভাবনা, আমি একটা সময় খুব ভালো মনে রাখতে পারতাম সব কিছু, কেউ কিছু বললে বা কোনো কাজ করতে দেখলে খুব অল্পতেই বুঝতে পারতাম, কিন্তু এখন কেন হচ্ছে না?  

এই গুলো ভেবে আমার জন্য খুব খারাপ লাগা শুরু হয়, তাই কোনো কাজে মন বসে না,নিজের প্রতি খুব রাগ হয়, মনে প্রশ্ন জাগে, এই সক্ষমতা টা আমি কি ভাবে হারিয়ে ফেলেছি? আর কি আমি ফিরে পাবোনা আমার সেই গুণ গুলো? 

চেস্টা করতে শুরু করছি,,আল্লাহ ভরসা, দেখা জাক কপালে কি আছে, কিন্তু আমার এই ভাল মনে রাখতে পারা বুজে নিতে পারা হারিয়ে গেল কি ভাবে? 

চিন্তা করতে থাকি, আগে কি করতাম, এখন কি করছি, আর মাজের সময় টা কি হয়েছিল, যেহেতু জীবন টা আমার আর তার জন্য ই প্রচেষ্টা আশা করি সমাধান খুঁজে পাবো,  যদি আল্লাহ সহায় হোন তো, 

রবিবার, ৩ মার্চ, ২০২৪

মানুষ হয়েছি কি?

 ডক্টর আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যারের একটা কথা ছিল, যে হাসের বাচ্ছা জন্মের পরে কোনো সুইমিংপুলে ভর্তি করা লাগে না তবুও জন্মের পর পর ই সাতার কাঠে,এই রকম প্রত্যেক টা জীব জন্তু জন্মের পরে ই তাদের নিজের কর্ম কি তা সহজে ই শিখে নেয়, হাস মুরগী গরু ছাগল এই সকল প্রাণী তাদের জন্মের পরে ই তাদের নিজ নিজ কাজ বুজে নেয়,আর তা কোনো একাডেমিক শিক্ষা ছাড়া ই করতে পারে, পারেনা শুধু মানুষ,

আবার মানুষ একডেমিক শিক্ষা নেয়ার পরে ও কি মানুষ হতে পারছি? আমার কাছে অনেক অদ্ভোদ লাগে ব্যাপার টা, সব প্রানি স্বয়ংক্রিয় নিজের কাজ বুজে নিলে ও মানুষ কেন পারে না?

মানুষের চরিত্র বড় ই বিচিত্র, কখন কি ভাবে আর কখন কি করে তা সে নিজে ও জানেনা, উপরে উপরে সবাই খুব ভাব নিলেও মনের দিকে কি চলছে তা আমরা দেখি না বলে হয়তো বুজতে পারি না, কিন্তু সবাই নিজেকে প্রশ্ন করলে সে যদি সঠিক উত্তর দিতে চায় তাহলে বলতে পারবে না আমি পরিপূর্ণ একজন মানুষ,

কিন্তু তার পরে ও আমাদের সবাই নিজেকে মানুষ পরিচয় দিয়ে বেড়াই, তা কি মিত্যা নয়? আর মিত্যা দিয়ে চলা জীবনের মাজে আমাদের কেমন করে সফলতা আশা করতে পারি?

তাই মিত্যা নয় সত্য কে সাথে নিয়ে চলার জন্য আমাদের সবার আগে সত্যিকারের মানুষ হতে হবে, এই সত্যি কারের মানুষ কে? কি ভাবে সত্যিকারের মানুষ হওয়া যায়? তার উত্তর খুজার চেষ্টা করি,

আপনি প্রথমে আপনার জানা দরকার সত্যিকারের মানুষ কে ছিলেন? তার জীবন পরিচালনা কেমন ছিল?

তা খুজতে গিয়ে আমি এখন পরজন্ত একজন মাত্র খুজে পেয়েছি, তার বিকল্প আর কেউ নেই, হবে ও না, তবে তার অনুস্মরণ করলে আমরা সত্যিকারের মানুষ হবার স্বাদ কিছু টা হলে ও পেতে পারি,

কে সে? কি ছিল তার জীবন ব্যাবস্তা? কি কি করেছেন তার সারাটা জীবন জুড়ে? এই সব গুলো প্রশ্নের উত্তর খুজলে আপনি উত্তর তো পাবেন ই সাথে আপনি আরেকটা প্রশ্ন খুজে পাবেন তা হইলো এই রকম যে কি কাজ টা তিনি করেন নি?

তবে আল্লাহর অনুগ্রহ ছাড়া আমরা মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবো না। তার জন্য দুনিয়ার শ্রেস্ট মানুষের অনুস্মরণ আল্লাহর অনুগ্রহ ই আমাদের কে মানুষের মতো মানুষ হতে সাহায্য করার এক মাত্র পথ।

আল্লাহ আমাদের কে বানিয়েছেন  মানুষ হিসাবে।কিন্তু আমরা রাস্তা হারিয়েছি তার অনুগ্রহ কে নিতে না পেরে। কি ভাবে হয়েছে তার আলোচনা আগে করই।



শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০২৪

কেন করবোনা?

 এক টা কাজ করার জন্য আপনি আমি কাজের বিনিময়ে বেনিফিট আশা করি, আর বেনিফিট থাকলে তবে ই কাজ করি, চাকরি করি বেতন পাবো, বেতন নেই বাজার করবো,বাজার করি রান্না হবে,রান্না হয় খাবো বলে,এই ভাবে একটার পরে আরেক টা লেগে ই আছে,আর মরার আগ পরজন্ত লেগে থাকবে এই বিনিময় আর বেনিফিটের খেলা, থামবে একটা সময় , আর তা হবে শেষ বিদায় মানে মিত্যু ,

আমি কখনো মনের গভীর থেকে চিন্তা করে দেখি না কাজের বিনিময়ে পাই আর জীবন চালাই, আপনি কি দেখেন? বলছি চিন্তা করে দেখেন ? বলছি কাজ বিনিময় আর বেনিফিট এর খেলা,

আমি আপনি না দেখলে ও অনেকে দেখে খুজে ভাবে আর হয়তো পেয়ে যায় জীবনের মানে কি? কিন্তু তা সবাইকে শেয়ার করে না, আর করলেও তা ঘুছিয়ে উপস্তাপন করে না, যে কারনে আমরা ঠিক বুজতে পারিনা জীবনের আসল মানে কি?

জীবনের মানে খুঁজে পাওয়া টা আমাদের সবার জন্য ই জরুরি, আমাদের প্রত্যেকের জীবনের বিনিময়ে নিজের এবং দেশের জন্য অল্প হলেও কল্যানকর কিছু রেখে যাওয়া, বলতে পারেন আমার ত নিজের ই চলেনা আমি রাখবো কই থেকে?

তা ছাড়া যাদের আছে তারা তো রেখে যাচ্ছে দেশ ও সমাজের জন্য অনেক কিছু আর তা ভোগ করছি আমরা না রাখতে পারার দল, আমার মনে প্রশ্ন জাগে যেখানে আমি কিছু রেখে যাচ্ছি না সেখান থেকে আমার ভোগ করাটা উচিৎ হচ্ছে কি?

কেমন জটিল মনে হচ্ছে না এই কথা গুলো? হওয়া টা ও সাভাবিক, কারন আমি যা লিখছি তার চেয়ে বেশি আমার মনের মধ্যে রয়ে গেছে, ঘুছিয়ে লেখার ভাসা খুজছি, পেয়ে গেলে তা লিখে ফেলব আশা করছি তা খুব শিগ্রই পাবো,'''''''''''''''''''''''

অনিয়মের বেড়াজালে,

 আমি এই লেখা টা যখন লেখতে বসেছি তার কয়েক ঘন্টা আগে আমাদের এই দেশে একটি অভিজাত এলাকা বেইলি রোডের একটি ভবনে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে মারা গেছেন প্রায় পঞ্চাশ জনের বেশি মানুষ, এই ঘটনার পরবর্তী ভিবিন্ন টিভি চ্যানেলের নিউজ কাভারেজ , ঊর্ধ্বতন ব্যাক্তি বর্গ সমাজ সেবক ছাড়া ও সাধারন মানুষের মন্তব্য বক্তব্য প্রকাশ করা হচ্ছে,

তত্য প্রযুক্তির দিক দিয়ে উন্নত আজকের এই দুনিয়ায় সোস্যাল নেটওয়ার্কে একটিভ থাকার কারনে সব গুলো প্রতিবেদন কে মনোযোগ দিয়ে দেখছিলাম, সজন হারা দের আহাজারি আর লাশের মিছিল স্কিনে দেখে মনের মাজে কেমন যেন হয়ে উটলো,

এই খবর গুলো দেখে নিজের বিবেকের কাছে যাদের প্রশ্ন জাগার কথা তাদের মনে দাগ কাটছে কি? রাজউক/সিটিকরপোরেসন/ছাড়া ও আরো বেশ কিছু সরকারি মনিটরিং প্রতিস্টান আছে, এই সব অফিসের সাথে যে সকল কর্মকর্তা কর্মরত আছেন তারা কি আজকের এই দুরঘটনার দায় এড়াতে পারেন?

এত গুলি প্রান জরে পড়ার মধ্যে কি আপনাদের আপনজন কেউ ছিল না? হয়তো ছিল তার জন্য আপনার মন কেঁদেছে , আর আপনি শুধু দুরঘটনা মেনে নিয়ে কিছুক্ষনের জন্য কেঁদে হয়তো ভুলে যাবেন, নিজেকে জাগ্রত করবেন না,কিছু দিন পরে হয়তো এই রকম আরেক টা ঘটনা ঘটবে,

এই ঘটনার আগেও এমন কিছু ঘটেছিল, আমরা কেদেছিলাম, আবার ভুলেও গেছি, ঢাকা শহরে কন্সট্রাকসনের সাথে অনেকদিন জড়িত ছিলাম বেশ কিছু দিন, এখন ও মাজে মধ্যে কাজ থাকলে করি, আর সেই কাজের অভিজ্ঞতা আর তা করতে গিয়ে ভিবিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষের অনিয়ম দেখেছি,

আমার অভিজ্ঞতার আলোকে সল্প জ্ঞ্যানে অল্প কিছু আলোচনা আর তার প্রতিকার নিয়ে লিখবো,জদি কারো পড়া হয় তো ভেবে চলতে অনুরুধ করছি, ঢাকা শহরের বিল্ডিং মালিকদের প্রতি আমার দেখা কোনো ভাড়াটিয়ার প্রজেটিব রিভিউ খুজে পাবেন না, দুই এক জনের কাছে মুখে মুখে শুনলে ও মন থেকে আসে না,

বিল্ডিং বানানোর সময় আবার মালিক ঠিকাদার সম্পর্ক টা ও মালিকের প্রতি ঠিকাদারদের নেগেটিভ রিভিউ ই বেশি,এই মালিক ভাড়াটিয়া বা ঠিকাদার সম্পর্ক ভালো না থাকার কারন কি হতে পারে তা কি ভেবে দেখেছেন?

এই বাজে সম্পর্কের আসল কারন হইলো ভাড়াটিয়ার থেকে বাড়িওয়ালা টাকা নিবে কিন্তু সারভিস দিবে না,আবার ঠিকাদারের থেকে সারভিস নিবে কিন্তু টাকা দিবে না, অথচ এই বিল্ডিং কে মরন ফাদ বানানোর জন্য নিয়মের তোয়াক্কা না করে চলার জন্য অনেক টাকা ব্যয় করবে ভিন্ন রাস্তায়, আমি সেই ভিন্ন রাস্তা বলতে কি বুজাতে চাইছি আশা করি আপনারা বুজতে পারছেন,

অথচ এই ভিন্ন রাস্তা কে বেছে না নিয়ে নিয়িমের মধ্যে থেকে ঠিকাদার থেকে শুরু করে ভাড়াটিয়া পরজন্ত সবার সাথে সুন্দর সম্পর্ক বজায় রেখে ও সমান ব্যাবসা হতে পারতো,

যেহেতু এই বাড়িওলাদের কে বুজাতে আমরা এত গুলো দিন পারি নি,আর তাদের এই অনিয়মের বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে আমরা বার বার এই রকম দুরঘটনার শিকার হই আমাদের আপন জন হারাই তাই সবার আগে দরকার আমাদের কে তাদের বেড়াজাল থেকে বেরোনুর,

তা করবো কি ভাবে? আপনি যেখানে ভাড়া থাকেন সেই বাসার অনুমোদন কয় তলা?কয় ইউনিটের  বাড়ি? আপনার ফ্লাটের আলাদা বিদ্যুৎ এর মিটার আছে কি না? লাইনের গ্যাস থাকলে তা আপনার ফ্ল্যাটের জন্য আলাদা কানেকশন পাশ করা আছে কি না?

এই সব গুলো প্রশ্নের উত্তর জেনে নিয়ে একটা পরিচ্ছন্ন বাড়িতে উঠেন, বাজেটে না কুলালে ভিন্ন চিন্তা করুন, জুকি নিয়ে বসবাস করা টা উচিৎ ? অবশ্য় ই নয়,...