বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

ইমান/বিশ্বাস

বিশ্বাস আমাদের জীবনের সব থেকে গুরুত্ত পূর্ণ বস্তু তা আশা করি সবার কাছে অনুমেয়, একবার যদি কেউ তার থেকে দূরে চলে যাই তো আমাদের ধংশ অনিবার্য ,তার কিছু দিস্টান্ত তুলে ধরি, বিশ্বাস আমাদের শক্তি যোগায় আর অবিশ্বাস আমাদের কে দুর্বল করে দেয়, বিশ্বাস আর অবিশ্বাস নিয়ে গুনিজন দের নানান কথা বলা আর লেখা আছে, তাদের এই চমৎকার কথা গুলো থেকে কিছু তুলে ধরছি
মনে করুন দশ ইঞ্চি একটা কাড/তক্তা বিছিয়ে তার উপর দিয়ে আপনাকে হেটে বিশ ফুট দুরুত্ত কেউ পার হতে বললে আপনি পার হতে পারবেন অনায়াশে,কিন্তু যদি বলা হয় সেই কাড টা ২টা দশ তালা বিল্ডিং এর ছাদের উপরে রেখে আপনি পার হবেন তাহলে কি পারবেন?
আপনি কাডের প্রসস্তা দুরুত্ত সব এক থাকার পরে ও পারবো না, কিন্তু এই না পারার কারন কি জানেন? তা হলো আমাদের বিশ্বাস,
আমরা মানুষ প্রত্যেকে ই অসাধারন,আমাদের প্রত্যেক কে দিয়ে অনেক অসাধারন কিছু করা সম্ভব,জদি আমাদের মনের মাজে বিশ্বাস থাকে তো, আমরা যদি কাউকে অনুকরন না করে নিজের সেরাটা কে বের করে এনে তা প্রয়োগ করতে পারি তা হলে আমাদের সবাই কে দিয়ে ই এই দেশ সমাজের কল্যানে অসাধারন কিছু পরিবর্তন করাতে সক্ষম,
আজ পরজন্ত যে এই দুনিয়া জুড়ে বিশাল পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় তা কি দিয়ে হয়েছে? অবশ্য ই তা মানুষ করেছে, আর আপনি আমি ও তো মানুষ ,তাদের দিয়ে হলে আমাদের দিয়ে হবে না কেন?

স্যোসাল মিডিয়া আর আমি,

 ফেসবুক,ইউটিউব,টিকটক,ইনস্টাগ্রাম,ওয়াটসেপ ,ইমো, এই গুলো ছাড়া আর ও অনেক মাধ্যম রয়েছে স্যোসাল নেটওয়ার্কের ,সব গুলো জানি না বলে হয়তো চালাতে ও পারি নাই, কিন্তু উপরে উল্লেখিত সব কিছুতে ই আমার একাউন্ট আছে্‌, আমার কখনো ইন্টারনেটের জন্য ও সমস্যা হয় নি,আর এই কারনে বিগত দিন গুলোতে তা কত যে বিচরন করেছি তা লিখে প্রকাশ করতে পারবো কি না জানিনা।

এইবার এর থেকে কি পেলাম আর কি হারালাম তা হিসাব মিলাতে গিয়ে আমি সত্যি ই অবাক হয়েছি, ফেসবুকে ঘন্টার পর ঘন্টা মানুষের স্টাটাস পড়েছি,রিল ভিডিও দেখেছি,শট ভিডিও লং ভিডিও দেখেছি, আবার কখনো লাইক কখনো কমেন্ট বা শেয়ার করেছি, মাজে মধ্যে হয়তো নিজের মনের ২/১ টা কথা স্টাটাস দিয়ে ব্যাক্ত করেছি, তবে লেখা আর দেখার থেকে পড়া আর শুনা টা ই বেশি করেছি,



এখন যে ছেড়ে দিয়েছি তা নয় তবে ছাড়ার জন্য মনের সাথে রিতিমত যুদ্ধ করতেছি, ছাড়তে পারছি না আর পারবো কি না তা ও জানা নাই,

কিন্তু ছাড়ার চেস্টা কেন করছি জানেন? আমার মন বলে আমার মতো আপনি ছাড়তে চাইছেন কিন্তু পারছেন না, আর কেন যে পারছি না বা পারছেন না তা ও উপলব্ধি করতে আমরা কেউ ই পারছি না, তবে ছাড়া যে দরকার তা অনুমান করছি, 

বরতমানে আমাদের চারপাশে একই ধরনের সমস্যা নিয়ে আমাদের বসবাস,এর থেকে  মুক্তি পাবার পথ খোলা নেই, আমরা বন্দী হয়ে আছি এই কঠিন জালের মধ্যে, 

কি ভাবে মুক্তি পাইতে পারি এই কঠিন জালের ভেতর থেকে? তা খোজার চেষ্টা করছি আমি, আপনি করছেন কি?

সারাদিন সোস্যাল নেটওয়ার্ক ছাড়ার উপায় আমি সোস্যাল নেটওয়ার্ক দিয়ে ই খুঁজে বেড়াচ্ছি, আর ঠিক তখন ই মাথায় আসলো যাহাকে ছাড়বো ভেবে চেস্টায় লিপ্ত তার কাছেই জিজ্ঞেস করছি তুমাকে ছাড়া যাবে কি করে,

আর সেই জন্য ই আজকে থেকে প্রতিজ্ঞা করলাম যে ছাড়ার উপায় আমি আর সোস্যাল নেটওয়ার্ক খুঁজে দেখবো না,তার চেয়ে যে ভাবে সোস্যাল নেটওয়ার্ক আমি এতদিন চালাচ্ছিলাম তার মধ্যে কিছু ভিন্নতা আনবো,

প্রথম অবস্তায় সেই অভ্যাস গড়ে তোলা আমার জন্য যদিও কঠিন মনে হচ্ছে তার পরে ও আমাকে সেই কঠিন কাজ টা ই করা লাগবে,......... 

মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

মতপার্থক্য

 সবার কথা ই যে মেনে চলা সম্ভব তা হবার নয়,জীবন পরিচালনা করতে হলে কাউকে না কাউকে তো মেনে চলা প্রয়োজন,কিন্তু সেই প্রয়োজন পুরন করবো কি ভাবে? আশেপাশে যা শুনি আর দেখি তার মধ্যে শুধু মতপার্থক্য,আর এই মতের পার্থক্য,থেকে আমরা বিব্রত । যে আসল  সত্য কি?

আমাদের সবার চাওয়া আমরা সত্যের পথে চলবো,২/১ জন ব্যাতিক্রম ও আছে,কিন্তু সত্য সুন্দর মসৃণ পথে চলার ইচ্ছে সবার ই হয়,চুর হোক বা ডাকাত,দিনমজুর বা অফিসার সবার মধ্যে ই আবেগ বিবেক লোকায়িত,আবেগের কন্ট্রোল আর বিবেকের উপলদ্ধি যদি সব সময় সঠিক ভাবে কাজ না করে তো পথ চলতে বড় কঠিন হয়ে যায়।


 

ছোট বেলা থেকে আমরা যে পরিবেশে বেড়ে উঠি তা আমাদের জীবনে গুরুত্ত পূর্ণ প্রভাব ফেলে,আর সেই প্রভাব থেকে বেরোনুর চেস্টা না করে চললে আমাদের জন্য কঠিন হয়,কারন আমাদের ছোট বেলার কোমল মতি মনের মধ্যে যে সপ্টওয়ার ইন্সট্যাল হয় তা খুব ই গুরুত্ত পূর্ণ,

কিন্তু আমাদের পরিবার আর সমাজের আশেপাশের মানুষের কাছে থেকে জা শুনে আমরা বড় হয়েছি তা ঠিক এই রকম যে কিছু অদৃশ্য গল্প কথা,কিন্তু সেই অদৃশ্য কে মেনে নিতে আমার কাছে কষ্ট কর বটে, 

তবে আমি আমার নিজের চিন্তা ভাবনা থেকে জা খুঁজে পেয়েছি তার আলোচনা করি,ছোট বেলায় না দেখা কিছু গল্প আমাদেরকে শুনানো হয়, যেমন কেউ আকাশে উড়তে পারতেন বা কেউ পানিতে হাটতে পারতেন, কেউ জঙ্গলে গুপ্ত ধন পেয়েছেন বা কেউ হোছট খেয়ে পড়ে আঘাত পেয়ে তার চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিজের সম্পদ হারিয়ে ফকির হয়ে গেছেন,

এই কাল্পনিক গল্পের আলোচনা অনেক ভাবে সাজিয়ে বর্ণনা করা হয়েছে,তার আবার ২ টা দিক ও রয়েছে,নেগেটিভ ও প্রজেটিভ,আমরা ছোট বেলায় এই গল্প শুনে তার সাথে আমাদের জীবিনের সাথে মিলাতে চেস্টা করি।কল্পনা আর বাস্তবতা দুই টা আলাদা জিনিস। আপনি যখন বাস্তবতার সম্মুখিন হবেন তখন এই কাল্পনিক গল্প কে বিশ্বাস করতে পারবেন না। 

কিন্তু সে জন্য আপনি এই অবিশ্বাসের জন্য ঈমান হারাতে পারেন তা কি কখনো ভেবেছেন? এর মধ্যে হয়তো ঈমান হারিয়েছেন বহু বার।তা কি ভাবে হতে পারে দেখেন। আমাদের ঈমানের স্তম্ভ কালেমা নামাজ রোজা হজ্ব যাকাত ছাড়া ও যে গুরুত্ব পূর্ণ কিছু এক টা আছে তা কেউ বলেন না। (কুলহু আল্লাহু আহাদ) আমানতু বিল্লাহি মালাইকাতু ও কুতুবিহি ও রাসুলিহি।এই গুলো কে বাদ দিয়ে আপনি পরিপূর্ণ ঈমানদার হতে পারবেন না।


মতপার্থক্য, গ্রহণযোগ্যতা আর আসল সত্য

এই পৃথিবীতে প্রত্যেক মানুষের চিন্তা, দৃষ্টিভঙ্গি, আর বিশ্বাস আলাদা। কারো কাছে যা সঠিক, অন্যের কাছে তা ভুল হতে পারে। কারো কথা মেনে চলা মানেই যে আপনি ভুল করছেন, তাও নয়। আবার, সবাইকে খুশি করতে গিয়েও নিজের পথ হারিয়ে ফেলা ঠিক নয়।

জীবনে চলার পথে আমরা প্রতিনিয়ত আশেপাশের মানুষের মতামত, উপদেশ, আর সমালোচনার মুখোমুখি হই। কেউ বলে এভাবে করো, কেউ বলে অন্যভাবে। একেকজনের একেক মত, একেক চিন্তা। এই মতপার্থক্য থেকেই জন্ম নেয় দ্বন্দ্ব, বিব্রতবোধ আর সংশয়।

তাহলে করণীয় কী?

প্রথমেই বুঝতে হবে — সবাইকে খুশি করা যায় না। আর সবার কথাও মেনে চলা সম্ভব নয়। জীবনে চলার জন্য প্রয়োজন এমন কিছু মানুষের কথা শোনা, যারা আপনার মঙ্গল চায়, যারা আপনার ভালোটাই ভাবে। তবে সবশেষে, নিজের বুদ্ধি-বিবেচনাকেই প্রাধান্য দিতে হবে। কারণ দিন শেষে আপনার জীবন, আপনার সিদ্ধান্ত।

আসল সত্য কী?

আসল সত্য হলো — সত্য একটাই, কিন্তু তাকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি অনেকগুলো। একেকজন একেকভাবে দেখবে, বুঝবে, বলবে। তাই মানুষের মতের ভিন্নতা থাকবেই। এই ভিন্নতাকেই সম্মান করতে শিখতে হবে।

নিজের অবস্থান থেকে, নিজের বিবেক আর উপলব্ধি দিয়ে যাচাই করে নিতে হবে কোনটা গ্রহণযোগ্য, কোনটা নয়। কারো কথায় নিজের আত্মবিশ্বাস হারানো যাবে না।

শেষ কথা

জীবন পরিচালনার জন্য কাউকে না কাউকে অবশ্যই অনুসরণ করতে হয়। সেটা হতে পারে কোনও অভিজ্ঞজন, কোনো আদর্শ, বা নিজের নীতিবোধ। তবে সেই অনুসরণ যেন বিবেকবোধের সঙ্গে সমন্বয়পূর্ণ হয়।

মতপার্থক্য থাকবে, তবু সম্মান জানিয়ে নিজের পথ খুঁজে নিতে হবে। আর সত্যকে উপলব্ধি করতে হলে শোনার পাশাপাশি ভাবতে জানতে হবে।

সবার কথা শোনো, প্রয়োজন মতো গ্রহণ করো, তবে নিজের বিবেককে বন্ধু বানাও। তাহলেই জীবন হবে সহজ আর স্বচ্ছ।


 



সোমবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সবার সপ্ন একই ,

ধনি ,গরীব,সবার সপ্ন একই রকম,তার উদাহরন অনেক, যেমন আমাদের চার পাশে সবাই ছুটে চলি কাজ করে অন্যের পকেট থেকে নিজের পকেটে টাকা আনবো বলে,আমরা যত ই নিতি কথা বলিনা কেন প্রত্যেকের কথার বা কাজের আড়ালে উদ্দেশ্য এক টা ই,

আমাদের সবার টাকা দরকার সম্পদ দরকার,কিন্তু সেই লক্ষ্যে যেতে পারবো কি না তা অনিশ্চিত থাকার পর ও প্রানপন ছুঠে চলেছি,টাকা আর সম্পদের নাগাল আমাকে পেতেই হবে একটা ই উদ্দেশ্য,কিন্তু এই টাকা আর সম্পদের সাথে আর একটা প্রয়োজনিয় বস্তু সুখ বা প্রশান্তি দরকার তার খুজে ছুটেছি কয়জন?

টাকা পয়সা সম্পদ দিয়ে অনেকে পরিপূর্ণ    হতে পারলে ও সুখ নামক বস্তু টি সহ ফুল প্যাকেজে পরিপূর্ণ    হয়েছি কয় জন? 



তাই আমার মতে আমাদের সবার সপ্ন একই হলে ও লক্ষ্য স্তির নেই বলে ফুল প্যাকেজে পরিপূর্ণ  হতে না পারা টা আমাদের সবাইকে ই পুঁড়ায়, 

যেমন টা আমাদের সপ্ন হওয়া উচিৎ, টাকা পয়সা সম্পদের সাথে প্রশান্তি,আর সেই সপ্নের বাস্তবায়নের পথে ছুঠে চলা, 

টাকা পয়সা সম্পদের সাথে প্রশান্তি বা সুখ সহ ফুল প্যাকেজের জীবন উপভোগ করার জন্য আমাদের কে কি করতে হবে?এই প্রশ্ন আমাদের সবার মনে,আমি ও তার বাহিরে নই,তার জন্য সময় সুজুগ পাইলে ই এই বিষয়ের উপর লেখা বা বক্তব্য পড়ি এবং শুনি,

বই,ব্লগ,বক্তব্য,জা কিছু ই পড়া বা শুনা হোক হয়তো এখন ও সব টা শেষ করে উঠতে পারি নাই, আর সব যে শেষ করে আমার লক্ষ্যে ছুঠে চলবো তা ও এই অল্প জীবনের দারা সম্ভব হবে বলে মনে হয় না,

তাহলে কি করবো? কিছু একটা তো করতে ই হবে ,টাকা পয়সা সম্পদ আর সুখ সংগ্রহের কি কোনো সটকাট আছে? যদি থাকে তা হলে কি সেই ? 

আধুনিক এই যুগে তো অনেক কিছুর সটকাট বের হয়েছে,তাহলে এই সপ্ন পুরনের সটকাট কি পাবো না?চারদিকে দেখি অনেক মোটিভেশনাল স্পিকার,নানা রঙের বক্তব্য,আর ও আছে টাকা উপারজনের নানান ধরনের শটকাট কোর্স, 

আশা করলাম যে আমি যা খুজছি তার ও শটকাট পেয়ে যেতে পারি, চেস্টা করে চলেছি,আপনাদের কাছে ও অনুরুধ,জদি কারো কাছে সপ্ন পুরনের শটকাট থাকে আমাকে জানাবেন,এই কিছুদিনের মধ্যে জা কিছু পড়ে শুনে জানতে পেরেছি তার ব্যাখা করলে যা দাঁড়ায় তা আমার ক্ষুদ্র জ্ঞ্যানের আলোকে আলোচনা করি আপনারা তা পড়ে ট্রাই করে দেখতে পারেন আপনার জীবনে,

আপনি যদি রিলিয়াজানে বিশ্বাসি হোন তা হলে প্রথমে আপনাকে আপনার ধর্ম গ্রন্ত কে মনজোগ দিয়ে পড়ে নিতে হবে, তার পরে সেই খানের লেখা আদেশ নিশেধ গুলো কে আপনার বিবেক বুদ্ধির আলোকে বিশ্লেশন করে তা প্রয়োগের চেস্টা করতে হবে,

যদি ও তা সহজ বা শটকাটে হবে না তবু ও বলছি যে এর থেকে শটকাট আর কোনু উপায় নেই হতে পারেনা,তা হলে আমরা যদি রিলিজিয়ানের মধ্যেই জীবন কে চালাই তা হলে ই সমাধান পেয়ে যাবো কি?

উত্তর টা হবে না,এর সাথে একটা কথা যোগ করেছি তা হলো ধর্ম গ্রন্ত মনোযোগের সাথে পড়ে তার সাথে আমাদের বিবেক বুদ্ধি যোগ করে তা আমাদের জীবনে প্রয়োগ করতে, আর এই কথার সারমর্ম যে কি হতে পারে তা আশা করি বুজতে পেরেছেন,

যদি বুজতে অসুবিধা হয় তা হলে আরেকবার পড়ে দেখতে পারেন,আপনি আমি জত বার পড়বো দেখবেন নতুন কিছু শিখা হচ্ছে,আর সেই শিক্ষা থেকে ই আপনার আমার ফুল প্যাকেজ সপ্নের বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যাওয়া সম্ভব বলে মনে করি,

তাহলে আমার প্রতি আপনাদের প্রশ্ন থাকতে পারে ভাই আপনি আপনার পড়া থেকে কি পাইলেন তা বলে দিলে ই তো পারেন,আমরা তা পড়ে আমাদের জীবনের সাথে মিলিয়ে চলার চেস্টা করি,

হ্যাঁ আমি বলবো কিন্তু আমার বলা কথা গুলো আপনার ধর্ম গ্রন্তের সাথে মিলালে ও বিবেক বুদ্ধির সাথে সাঙ্গগরসিক হতে পারে,

তাই নিজে পড়ার পরে চেস্টা করলে উপকারিতা পাবার সম্ভাবনা প্রবল,

 অসমাপ্ত""""""" 

 

রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

সত্য ইতিহাস

 আমাদের চার পাশে জা কিছু ঘটে তা পরবর্তীতে ভিবিন্ন মানুষের লেখার  বলার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, তা ই হচ্ছে ইতিহাস, আমাদের পূর্বভর্তি  ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলো আজ আমরা ইতিহাস এর পাতায় দেখতে পাই,কিন্তু বর্তমান সমাজ ব্যাবস্তা আর মানুষের বিশ্বাস যোগ্যতা দেখে মনে প্রশ্ন জাগে আমরা যে ইতিহাস পড়ছি তা কি সত্য? যদিও আমার এই চিন্তা সবার কাছে নিতান্তই দুর্বল মনে হবে, তার পর ও লিখছি,আপনি আপনার বিবেকের সাথে মিলিয়ে নিয়েন,

বিজ্ঞান প্রযুক্তি আর উন্নত ব্যাবস্তার কল্যাণে অনেক না জানা তত্য আজ আমরা জানতে পেরেছি,আবার ইতিহাসের পাতায় বর্ণনা করা অনেক কিছু ই আজ ও অমিমাংশিত,,



আল্লাহ পাক রাব্বুল আলামীনের বর্ণনায় অনেক ঘটনা উল্লেখ আছে মহা গ্রন্থ আল কুরআন এর মধ্যে, যদিও আল্লাহ আমাদের কে সেই বর্ণনার কোনো ফিনিশিং দেন নি ,

তবে অনেক আলেম উলামা আর ঐতিহাসিক সেই ঘটনা গুলো কে ফিনিশিং দেওয়ার চেষ্টা করেছেন,, কিন্তু তা বিসশাস যোগ্যতা পাইলেও আমার মতে আল্লাহ যেহেতু বলেন নি তা হলে তা আমাদের জানার কোনো প্রয়োজন ছিলো বলে মনে করি না, 

আমাদের প্রত্যেকের নিজস্বতা বিবেক বুদ্ধি আছে,আর আমাদের সবার চিন্তা শক্তি ও আলাদা, আমদের নিজের থেকে চিন্তা ভাবনা কাজে লাগাতে ভাবতে বলা হয়েছে, 

শুধু মাত্র পড়তে না ঘুরতে বলা হয়েছে,, আমরা যতটা দুনিয়া ঘুরে দেখতে পারবো আমাদের জ্ঞ্যানের পরিধি ও ততটা বাড়বে,

আর আল্লাহ যেটুকু বলেছেন ঠিক ততটা ই ভেবে তার উপর প্রতিস্টিত থাকতে বলেছেন, তার বাহিরে নয়,

আর ব্যাখা বা ইতিহাস থেকে সত্যি টা জানার চেস্টা করার থেকে আল্লাহ প্রদত্ত বুদ্ধির প্রয়োগ করে নিজেকে শুধরালে আপনি  ই হবেন সবার সেরা,,যেই কথা বলে শুরু করছিলাম,যে ইতিহাস কে আমরা বিশ্বাস করবো কি ভাবে,কারন রাজনিতি ক্ষমতা আর আর স্বার্থের জালে জড়িয়ে ইতিহাস ব্যাবহার করা হয়েছে বার বার,

আর তার জন্য সঠিক ইতিহাস আজ প্রায় বিলুপ্তির পথে,

আগামী দিন গুলো কি অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য? তা কেউ জানি না, তবে সত্য কে জানার জন্য আপনাকে শুধু ইতিহাস কে নিয়ে পড়ে থাকা চলবেনা,আপনাকে ইতিহাসের আলাদা ভারসন কালেক্ট করে তা পড়ে আবার বিজ্ঞান প্রযুক্তি আর নিজের বুদ্ধিমত্তা আল্লাহর বানি সব কিছুর আলোকে বিশ্লেসন করার ক্ষমতা থাকলে তবে ই বুজতে সক্ষম হবেন কোন টা আসল সত্য,

ফেসবুক ইউটিউব আর অল্প কিছু বই পত্রিকা পড়ে নিজেকে জ্ঞ্যানি ভাবা থেকে বেরিয়ে আসি,জানার বুজার মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করি,তার পরে অন্যকে বলি,তবে ই আমরা সত্য ইতিহাস জানতে পারবো।

অসমাপ্ত""""""

শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

জীবনের অর্থ কি?

আমি/আমরা যে বেঁচে আছি,আমাদের এই বেঁচে থাকা,যা আমাদের মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই টা ই তো জীবন,কিন্তু এই জীবনের অর্থ কি? আপনি আমি সারাক্ষন কাজে ব্যাস্ত থাকি,আর এই ব্যাস্ততা থাকে আমাদের নিজের জীবনের উন্নতি করা,একটু ভালো খাবো আরেকটু ভালো পরবো,একটু উন্নত জীবন জাপন করবো,

তা হলে এই টা ই কি জীবন?যেহেতু আমাদের সমাজের বেশি সংখ্যক মানুষের লক্ষ্য একই তা হলে ধরে ই নেয়া যায় যে জীবনের অর্থ হইলো কাজ কাম করে টাকা রোজগার করে ভালো খাবার,কাপড়,বাড়ি,গাড়ি সংগ্রহ করে উন্নত ভাবে চলতে পারা টা ই জীবন,



তাহলে তো সবার জীবনের এক রকম হবার কথা ছিল,কারন লক্ষ্য যদি থাকে অটুট তবে সে তার মসনদে যাবে ই,কিন্তু তা ত হয়ে উঠেনা, আমরা যে ভাবে জীবনের মানে জানি তার নাম ই জীবন নয়,কারন উন্নত জীবনের সাথে যদি আপনার প্রশান্তি না থাকে তার নাম জীবন হতে পারেনা,

প্রশান্তি,ন্যায়পরায়নতা,প্রজ্ঞ্যা,সু চিন্তা যদি আপনার উন্নত জীবনের সাথে লেগে থাকে তো আপনার অই টা ই হলো অর্থবহ জীবন,

না হলে যে জীবন আমরা পার করে চলেছি তা জীবন নয়,তা অন্য প্রানির মতো সময় পার করছি, যে সময়ের প্রত্যেক টা মিলি সেকেন্ডের জন্য আমাদের কে জবাবদিহি করা লাগবে,

আমাদের শিখার কোনু শেষ নেই,আল্লাহর সৃষ্টির সেরা জীব হলাম আমরা মানুষ, আমাদের কে আল্লাহ যে কতটা শক্তি বুদ্ধি আর ক্ষমতা দিয়েছেন তা যদি আমরা জানতে পারতাম।

আমদের সেই শক্তি বুদ্ধি ক্ষমতার সঠিক প্রয়োগ করতে পারতাম তা হলে আমাদের কল্পনার মাজে বসবাস করা যে জীবন আমরা চাই তা সহজে ই ধরা যেত, আমাদের জা কিছু ভালো লাগে তা ই আমাদের কল্যানকর নয়,

অনেক অপছন্দ আছে তা কল্যানের আবার অনেক পছন্দসই আর প্রিয় জিনিস টা ও আমাদের জন্য অকল্যাণকর হতে পারে,  আমার জীবন থেকে নেয়া একটা গল্প শেয়ার করি, 

আমি যে ভাবে জীবন চালাচ্ছি তা আমার কাছে খুব সুখকর না হলে ও খুব যে বিরক্তির ছিল তা নয়, একটা সময় আমার মনের মতো কেউ একজনের আগমন ঘটে,  ঠিক আমি আমার কল্পনায় যে ভাবে জীবন উপভোগ করার কথা ভাবতাম, 

তার সাথে পরিচয় হবার পরে আমার জন্য এতটা ই আনন্দ আর উপভোগ্য বৈচিত্র্যময় চরিত্রের হয়ে উঠলো যে আমি আমার সাভাবিক চরিত্র কে হারালাম,......

আসুন সবাই একটু পড়ে চিন্তা করে বুদ্ধি কাজে লাগিয়ে তার ন্যায়সংগত ভাবে তা কাজে লাগাই তবে ই অর্থবহ প্রশান্তির জীবন উপভোগ করতে পারবো,

জীবনের অর্থ হয়তো আর ও বিশাল কিছু হবে,আমার ক্ষুদ্র জ্ঞ্যান থেকে সামান্য কিছু মতামত লিখছি, ভুল হলে ক্ষমা করে দেয়ার অনুরুধ রইলো,

অসমাপ্ত"""""""  

বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

অনুগত্য ইবাদত,

আমাদের ঈমান আনার প্রথম শর্ত আল্লহর অনুগত্য,আমরা প্রত্যেকে স্বাধীন, আর অনুগত্য থাকার মানে পরাধিন, যেহেতু আমরা  স্বাধীন ইমানদার তাই আমাদের কে অনুগত্য থাকার জন্য একটু না অনেক কঠিন ই বটে,

কারন স্বাধীন থাকা আমরা কেউ ই কারো গোলামী করতে পছন্দ করি না,শুধু তা ই নয় আমরা এই স্বাধীনতার জন্য লড়াই করে এই দেশ কে মুক্ত করছি,সবাই মিলে স্বাধীন ভাবে বসবাস করবো বলে, আর এই স্বাধীনতা আমাদের গৌরবের ,



আল্লাহ তো আমাদের সৃষ্টির শুরুতে ই আমাদের কে স্বাধীন করে দিয়েছেন,তার পরে বলেছেন যে তার অনুগত্য থাকতে,তিনি যদি তা না করে শুরুতে ই আমাদের কে ভিন্ন আঙ্গিকে সেট করে দিতেন তা হলে আমাদের জীবন ব্যাবস্তা কেমন হইতো?

তখন আমাদের সবার নিজের কোনো ইচ্ছে শক্তি থাকতো না,আমাদের ব্রেইন এমন ভাবে সেট করা থাকতো যাহাতে কোনো প্রকার আনন্দ বা কষ্ট কি তা উপভোগ করতে পারতাম না,শুধু মাত্র আল্লাহর ইবাদত পালন করতে হইতো,,

কিন্তু আল্লাহ তা না করে আমাদের উপভোগ করার স্বাধীন ভাবে চলাচলের ক্ষমতা দিয়ে পরে আমাদের একটা গাইড লাইন দিয়েছেন, যদি সেই গাইড লাইন মেনে আমরা চলতে পারি তবে ই সেই স্বাধীনতা কে উপভোগ্য করতে পারবো,

আর সে গাইড লাইন টা হচ্ছে মহা পবিত্র গ্রন্ত আল কুরআন।মহা পবিত্র গ্রন্ত আল কুরআন নিয়ে জীবনে আপনি আমি অনেক কথা ই শুনেছি,কিন্তু তা মেনে যে চলতে পেরেছে তিনি ই দুনিয়া আখেরাতের জন্য পুরোপুরি ভাবে সফল হতে পেরেছেন।আর সে গাইড লাইন গ্রন্তে ই উল্লেখ করা আছে কি ভাবে স্বাধীন ভাবে থাকার পরেও অনুগত্য থাকা যায়।

অসমাপ্ত""""""""