রবিবার, ৩১ মার্চ, ২০২৪

ভাইরালের সাথে

 গত কিছু দিন আগে একটা ভিডিও দেখছিলাম ইউটিউবে।সেই কথা গুলো ই তুলে ধরছি।ফ্রিল্যান্সার ব্যাবসায়ী বা ইউটিউবার যে ভাবে ই তাকে চিনেন না কেন আপনি অনলাইনে একটিভ থাকলে না চিনবার কথা না। তার যে ভিডিও নিয়ে লিখছি সেই ভিডিও আমি কয়েক বার দেখেছি আর ভাবছি।

সেই ভিডিওর কথা গুলো ই তুলে ধরছি। উনি দেশের বাহিরে থাকেন, কিছু দিন আগে দেশে আসলে পরে তাদের বাসায় সকল আত্বিয় স্বজন একত্রিত হয়।তো রাতের বেলা খাবার টেবিলে বসে তার এক আত্বিয় অন্য আরেক জনের কাছে জিজ্ঞেস করে যে একটা বিশাল ঘটনা ঘটছে সে জানে কি না?


 

তার কথার প্রতি উত্তরে উনি বলেন কি ঘটনা? তখন সে বলে এক টিকটকার তার থেকে বেশি বয়সী এক মহিলাকে বিয়ে করে তাদের সাথে একটা ঝগড়া হয় পরে সেই টিকটকার সেই মহিলাকে মেরে ৩০০ ফুট রাস্তায় ফেলে আসে,আর সেই মহিলা লাইভে এসে কান্নাকাটি করে জা অনলাইনে ভাইরাল।

তাদের এই কথোপতন বাকি সবাই শুনে কেউ তো আরেকটু বাড়িয়ে সেই টপিক নিয়ে আলোচনা শুরু করে দেয়। যে ২/১ জন ঘটনা টা জানতো না তাদের দিকে বাকি সবাই এমন ভাবে তাকায় যেন এই না জানা টা তাদের জন্য বিশাল অন্যায় কিছু। 

এই রকম কিছু ভাইরাল টপিক নিয়ে আলোচনা করার পাশাপাশি সেই ভিডিওতে উনি কিছু এডভাইজ দেয়।তাই আমি খুব মনজোগ দিয়ে উনার ভিডিও টা কয়েক বার দেখেছি। সত্যি ই আজকে আমরা এই ভাইরালের ভাইরাস সংক্রমণের সমাজ নিয়ে কোথায় আছি?

খুব চিন্তা হয়,কি আছে আমাদের ভবিষ্যতে? জার হাতে একটা স্মার্ট ফোন আছে সে ই আজ ফাস্টেটেট,মহা সমস্যা নিজের চারপাশে থাকার পরে ও সে দিকে কোনো খেয়াল নেই, দিন ভর আছে কে কোথায় কি করে ভাইরাল হয়েছে সেই চিন্তা নিয়ে। 

এই অবস্থা চলতে থাকলে পরে আর কয়েক দিন পরে আমাদের এই সমাজ কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে? কেউ কি বলতে পারেন? আমাদের মধ্যে যে পরিমাণ নেগেটিভিটি ভর হচ্ছে তার প্রতিকার করা টা খুব জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

এখন থেকে শুরু করুন। আমি আপনি যে দুনিয়ায় আছি সেখানে ফেসবুক ইউটিউব বা টিকটক কোনো কিছু ই আপনি চাইলে ই ছেড়ে দিতে পারবেন না।তবে চাইলে আপনি এই ভাইরালের ভাইরাস থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। 

কিভাবে মুক্ত থাকতে হবে তার বিস্তারিত গুছিয়ে বলতে পারবো কি না জানি না তবে সামান্য কিছু লিখার চেষ্টা করলাম। 


📌 ভাইরাল নিয়ে মাতামাতি আর আমাদের সমাজ

আজকাল একটা শব্দ খুব বেশি শুনি — "ভাইরাল"। কোনো কিছু একটু ব্যতিক্রম হলেই মুহূর্তেই সেটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। মানুষ যেন প্রতিযোগিতায় নেমেছে, কে কত আগে সেটা শেয়ার করবে, কে কত বড় করে সেটাকে নিয়ে মাতামাতি করবে।

এভাবে ভাইরাল ট্রেন্ডের পেছনে ছুটতে ছুটতে আমরা ভুলে যাচ্ছি, সমাজের আসল সমস্যা কী।
নাগরিক অধিকার, নৈতিকতা, শিক্ষা, মানবিকতা, পরিবার থেকে দূরে সরে গিয়ে আমরা অপ্রয়োজনীয় ট্রেন্ডে ডুবে যাচ্ছি।

এই ভাইরাল সংস্কৃতি অনেক সময় ভুল বার্তা ছড়িয়ে দেয়, মানুষকে বিভ্রান্ত করে, আবার কখনো কারো জীবনকেও ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেয়। কোনো ঘটনা যাচাই না করেই সেটার ভিডিও, ছবি বা খবর শেয়ার করা আমাদের এখন নিত্য অভ্যাস।

কিন্তু আমরা কি ভেবে দেখেছি — এই অপ্রয়োজনীয় মাতামাতি আমাদের সমাজের মধ্যে কী পরিমাণ অবক্ষয় তৈরি করছে?
মানুষের ব্যক্তিগত জীবন হুমকির মুখে পড়ছে,
অমূলক গুজব ছড়াচ্ছে,
অপরের সম্মানহানি হচ্ছে,
আর সবচেয়ে বড় কথা — মূল্যবান সময় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

📣 এখনই সময় — সচেতন হওয়ার

আমরা ভাইরাল কনটেন্ট দেখব, জানব — তবে বিবেক দিয়ে বাছাই করব। বুঝে শুনে যা সত্য, সমাজের জন্য ইতিবাচক, সেইটাকেই প্রচার করব।

আমাদের নিজেদের জীবনে, পরিবারে, সমাজে যে সত্যিকার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আছে, সেগুলোর দিকে মনোযোগ দেওয়া আরও বেশি জরুরি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল না হয়ে ভালো মানুষ হওয়াটাই সবচেয়ে বড় পরিচয়।


 

মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ, ২০২৪

ঈমানের মাপকাঠি

বন্ধু গন। আমরা নষ্ট হয়ে গেছি। এটা শেষ জামানা তো। একটা মাছের পচন শুরু হয় তার মাথা থেকে। একটা জাতির অধ:পতন শুরু হয় তার নেত্বিত্বের মাথা থেকে। আমরা বরতমানে দুই ধরনের নেতার অনুসারী। একটা রাজনৈতিক নেতা আরেকটা ধরমিয় নেতা।

 সাহাবিদের আমলে নেতা একটা ই ছিল। জিনি ছিলেন রাজনৈতিক নেতা তিনি ই ছিলেন ধরমিয় নেতা তিনি ই মুফতি। একই আসন থেকে ফতোয়া আসতো রাজনৈতিক ব্যাপারে ধরমিয় ব্যাপারে। এইটা আজকে পালটে গেছে  এটা যে মারাত্মক বেদাত তা বেদাত নিয়ে যাদের এলারজি তারা ও বলে না। 

তারা শুধু বলে হাত এখানে বাধলে না ওখানে বাধলে।মোনাজাত করলে কি করলে না। নিয়ত করলে না পড়লে। এই গুলো নিয়ে ই তাদের মাথাব্যথা। কিন্তু এই গুলোর সুচনা  কোথাথেকে এসেছে?  দুনিয়া আখেরাতের ব্যাপারে ফায়সালা এসেছে একই আসন/চেয়ার থেকে। মসজিদে নববির ইমাম জিনি তিনি মদিনা রাস্ট্রের ইমাম। তিনি অরধেক  টা দুনিয়ার খলিফা।তিনি সাড়ে বার লক্ষ্য মাইল এর প্রেসিডেন্ট হজরত মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। 

এক জায়গা থেকে সব হয়েছে। আমাদের এখন দি মুখি নিতি। আর দি মুখি নিতি যখন হয় তখন আমরা বিপরীত মুখি দুই নৌকার যাত্রি। আমরা জনগণেরা আজকে এই বিপরীত মুখি দুই নৌকার যাত্রি হয়ে শেষ হয়ে যাচ্ছি। এর পরিনাম কি হবে? 

আমরা শেষ হয়ে যাচ্ছি যার আরেক নাম সলিলসমাধি। আর এই আইন গত মুসলমানেরা ইসলামের জন্য কোনো কাজ করে নাই। এরা শুধু ইসলাম ভোগ করেছে। আর যারা আল্লাহর জন্য ইবাদত বন্দেগি করেছে তারা ই  ইসলামের ইতিহাস স্রিস্টি করেছে। ঐ মুসলমান ই ইসলামের কল্যাণের জন্য চাই।

 বাকিরা শুধু দল ভারি করেছে অরা নামেই শুধু মুসলমান এরা জনসংখ্যা আদম সুমারীর মুসলমান। বন্ধু গন আমাদের চেষ্টা করতে হবে। আজকে আমরা নেত্রিত্তে যারা আছেন তারা ও আমাদের বিভ্রান্ত করে। খাদ্য বশ্র শিক্ষা চিকিৎসা বাসস্থান এই পাচটি মৌলিক চাহিদার জন্য কিছু নেতার দিকে তাকিয়ে থাকি।সেই ক্ষমতায় এলে আমরা এগুলো পাবো। আবার ধরমিয় দিক থেকে আমরা তাকিয়ে থাকি এই হুজুর যে টা বলবেন। তিনি দোয়া করে দিলে আমরা জান্নাতে চলে যাবো। আল্লাহর কোনো উপায় ই নেই আমাদের জান্নাতে না দিয়ে।

এই ভাবে ই ত আমরা ধরি একেকজন কে। বন্ধু গন আজকে আমি কথা বলবো ইসলামের একটি মান দন্ড নিয়ে। জা দিয়ে আপনি জাকে ধরে চলছেন বা অনুসরণ করছেন তিনি পীর হতে পারেন শায়েখ হতে পারেন হুজুর মুফতি আল্লামা ইমাম যে ই হোন না কেন আপনি কি করবেন? আজকে সবারই ঢোল বাজছে বিশ্বময়, এ বলছে আমার এখানে আসেন তো সে বলছে আমার ওখানে আসেন। যাবেন তবে শিখার নিয়তে যাইয়েন, শিখতে অসুবিধা কোথায়? তবে ঈমান আনতে যাইয়েন না।

মানুষের মধ্যে শুধু নবিদের প্রতি ই ঈমান আনতে হবে।আপনি জত ঠকেছেন ঈমান এনে ই ত ঠকেছেন? আপনি একজন কে ধার দিছিলেন সে আপনার টাকা মেরে দিয়েছে আপনি ঠকলেন কেন? আপনি তাকে বিশ্বাস করেছেন বলে ই ত ঠকেছেন। এই বিশ্বাসের নাম ঈমান। আমাদের জন্য ঈমানের কয়েকটি মৌলিক বিষয় আছে তার মধ্যে একটা হলো শুধু মাত্র নবীদের প্রতি ই ঈমান আনতে হবে। কোনো হুজুর মুফতি আল্লামা ইমাম পীর শায়েখ ওলি নেতা বাবার প্রতি ঈমান আনতে বলা হয় নাই। কিন্তু আমরা ঈমান এনেছি আর এই ভাবে ঠকেছি। 

এখান থেকে ঠকার শুরু এবং ঠকার শেষ। এখন আমরা কি করবো? কারো না কারো তো অনুসরণ করতে ই হয়।আমি এখন ধরা না ধরা জায়েজ না জায়েজের ফতোয়া দিচ্ছি না। আপনি একজন পীর ধরলেন একজন হুজুর কে বিশ্বাস করলেন। আপনি তাহাকে মেনে চলতে চান।আপনি তখন কি করবেন দেখেন। আদর্শ মুল মৌলিক মাপকাঠি হচ্ছেন মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ সাঃ। তিনি হচ্ছেন মান দন্ড। এখন আপনি একটা সাধারণ জ্ঞ্যান কাজে লাগান।

মনে করেন আপনি বাজারে গেলেন গ্রামের বাজার সেখানে আপনি পটল কিনবেন। গ্রামের গরিব চাষি তার কাছ থেকে পটল নিচ্ছেন তখন দেখলে তার পাল্লার ভাটখারা ইটের তৈরি আপনি তখন কি করবেন? আসেপাশে কোনো দোকান থেকে কোম্পানির তৈরি ভাটখারা এনে সঠিক মাপের নিশ্চয়তা দেখে নিবেন। 

রাসুলুল্লাহ সাল্লালাহু আলাইহি ও সাল্লাম ই হচ্ছেন একমাত্র কোম্পানির  ভাটখারা।আর হুজুর হোক পীর হোক ওলি হোক উনারা হচ্ছেন ইট। তাই যদি কোম্পানির ভাটখারার সাথে সে ইটের ওজন মিলে তবে ই তাদের অনুসরন করবেন। না হলে কোনো ভাবে ই নয়। আর আল্লাহর দেয়া আদেশ নিশেধ এর নির্ভুল বর্ণনা জানতে হলে আপনাকে পড়তে হবে। শুধু মাত্র পীরের দিকে না তাকিয়ে নিজে থেকে কিছু জানার এবং পড়ে বুজার চেষ্টা করেন।

আজকের এই স্মাট দুনিয়ায় কোরআন হাদিস নবির জীবনি সব আপনার হাতের নাগালে।সব ভাষায় সহজ লভ্য। তাই নিজে থেকে বুজে পড়লে আর নিজের জ্ঞ্যান কাজে লাগালে ইমানের নিরভুল মাপকাঠি বুজতে আর মানতে মোটেই কষ্ট হবার কথা নয়।আল্লাহ পাক রাব্বুল আল আমিন আমাদের সবাইকে সঠিক বুজ দান করুন।,'''''''আমিন।💚💚💚💚💚💚💚💚

মঙ্গলবার, ১২ মার্চ, ২০২৪

আল্লাহর উপর বিশসাস।

 আল্লাহর প্রতি আমাদের বিশাসাস এর পরিধি কত? আমাদের নবি হযরত মোহাম্মদ সাল্লাহু আলাইহি ও সাল্লামের বিশসাসের কাছাকাছি আছে কি? নবিজির বিশসাস কেমন ছিল? সেই ধারনা টা আমদের খুব প্রয়োজন। আপনার আমার সবার আল্লাহ সুবহানাল্লাহু তায়ালা কে ভরসা করতে হবে কোনো প্রকার সন্দেহ ছাড়া। আর এই ভরসা শুধু বিপদের সময় নয়।সুখের সময় ও তা সমান ভাবে । 

কোরআনের ভাষায় কেমন করে উল্লেখ করা আছে? আর হাদিসের ভাষায় কেমন? এই নিয়ে অল্প ভিস্তর আলোচনা করা যাক, আমাদের নবি তার জীবনের সব থেকে কঠিন সময় কি ছিল? তার উত্তর হবে নিশ্চয়ই মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের দিন টা, অই রাত্রে নবিজি হিজরত না করলে কাফের রা নবিজি কে হত্যা করতো।

নবিজির এই হিজরতের দিন টা নিয়ে একটা বিশেস উধাহরন দেয়া যায়। যে আল্লহার প্রতি নবিজির বিশসাস এর মান কেমন ছিল। রাতের অন্ধকারে জখন নিজ গৃহ থেকে বের হয়ে হজরত আবুবক্কর রাঃ কে সাথে নিয়ে মদিনার উদ্দেশ্যে বের হয়ে পাহাড়ের গোহায় আশ্রয় নিলেন তখন দিনের আলো ফুটে উটে।আর তখন মক্কার কাফের সম্প্রদায় ও খুজে খুজে সেই গোহার একেবারে কাছাকাছি চলে আসে।

সেই গোহার অবস্তান ও এত টা নিরাপদ ছিল না। আবুবক্কর রাঃ থেকে পাওয়া বর্ণনা মতে কাফের রা একটা সময় সেই গুহার এত টা কাছাকাছি চলে এসেছিল যে তারা যদি মাতা টা একটু নিচু করে থাকাতো তা হলে ই আমাদের দেখতে পাইতো। আবুবক্কর রাঃ ভয় পেয়েছিলেন। তখন প্রিয় নবি হজরত মোহাম্মদ সাল্লালাহু আলাইহি ও সাল্লাম বলেছিলেন যে ভয় পেয়োনা  আল্লাহ সুবহানাল্লাহু তায়ালা আমাদের সাথে আছেন।আর সেই আল্লারহর উপর ভরসা করা কে আল্লাহর এতই পছন্দ হয়েছে যে তিনি তা কোরআনে যে ভাবে তুলে ধরেছেন, যদি তোমরা তাহাকে সাহাজ্য না কর তবে মনে রেখ আল্লাহ তাহাকে সাহাজ্য করেছিলেন যখন কাফের রা তাহাকে খুজে বের করেছিল, যখন তিনি ছিলেন দুই জনের দিত্বিয় জন। যখন তারা গুহার মধ্যে ছিল।যখন সে তার সাথিকে বলেছিল চিন্তিত হয়োনা।আল্লাহ আমাদের সঙ্গে আছেন।অতঃপর আল্লাহ তার প্রতি স্বীয় প্রশান্তি নাজিল করলেন,এবং তার সাহায্যে এমন বাহিনি পাঠালেন যা তোমরা দেখনি।আর আল্লাহ তায়ালা কাফেরদের শক্তি ধুলিশ্বাত্য করলেন।আসলে আল্লাহর কথা ই চুড়ান্ত।তিনি অত্যান্ত পরাক্রমশিল ও দয়ালু।

এই রকম অনেক ঘটনা ই কোরআন ও হাদিসে বরননা করা হয়েছে।হজরত ইব্রাহিম আলাইহি ও সাল্লাম।আর হজরত ইউনুছ আলাইহি ও সাল্লামের ঘটনা আমাদের সকলের ই জানা।

শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪

বড় না বুড়া হইতছে?

মানুষ বড় হয় না বুড়া হয়? উত্তর হবে দুইটা ই হয়। বড় হওয়া মানে ই তো বুড়া হওয়া। তবে বড় বা বুড়া  সব কিছু প্রকাশের ক্ষেত্রে বয়সের একটা সম্পর্ক আছে। শুন্য থেকে পচিশ মানে বুজতে হবে বড় হইতেছি,আর পচিশ পার হলে ই মানতে হবে বুড়া হইতেছি। তবে বড় বা বুড়া জা ই হচ্ছেন তার মানে আপনার আমার বয়স কিন্তু বাড়ছে না কমছে। যদি ও আশেপাশের মানুষের কাছে শুনতে হয় বয়স যে বাড়তেছে সে খেয়াল আছে?
কিন্তু যে জিনিশ কমছে তা বাড়ছে বলে আমাদেরকে সবাই বিভ্রান্ত করছে কেন? যে আমাকে বলছে সে কি না বুজে ই বললো কথাটা।আর এই রকম কথা যে একজন ই বলে তা না, প্রায় সবার কাছে ই শুনি বয়স বাড়ছে।কমছে বলে কেউ মনে করিয়ে দেয় না।
এমন কি এই লেখা পড়ার আগে ও আপনি জেনে আসছেন যে বয়স আপনার বাড়ছে,কিন্তু আজকের এই লেখা পড়ার পরে হয়তো মেনে নিতে পারেন যে বাড়ছে না আপনার বয়স, কমতেছে।
তা কিভাবে কমছে তার উদাহরন হিসেবে কিছু কথা বলি, আমাদের সবাইকে এই দুনিয়া ছেড়ে চলে যেতে হবে।এই কথায় কারো দিমত থাকার কথা নয়, আর দি মত থাকলে ও আপনি বেচে থাকতে পারবেন না। কারন আমার আল্লাহ বলেছেন প্রত্যেক প্রানিকে তার মিত্যুর স্বাধ গ্রহন করতে হবে।
আমরা যে শুন্য থেকে জীবন শুরু করেছি আর যেদিন মিত্যুর স্বাধ নিব,এই কয় দিনের হিসাব টা ই তো আমাদের বয়স। তাহলে এই বয়সের ধারনা পাওয়া গেলো, এই বার কমছে না বাড়ছে তার ব্যাখা করা যাক। মনে করি আমার কাছে এক লক্ষ্য টাকা আছে,তার থেকে আমি প্রতিদি এক হাজার টাকা খরছ করি তা হলে সেই অংকের রেজাল্ট কি দাড়া বে? আমার টাকা কমতেছে।
বয়স টা ও এক ই বস্তু শুরু থেকে আমাদের মিত্যুর আগ পরজন্ত একটা নিদ্রিস্ট সংখ্যা আল্লাহ আমাদের কে বেধে দিয়েছেন, আমরা একটা দিন অতিবাহিত করা মানে আপনার জীবন থেকে এক দিন কমে যাওয়া।
আশা করি বুজতে পেরেছেন।তবে আরেকটু সহজ ভাবে বুজাতে পারলে ভালো লাগতো, যদি কখনো আরো সহজ ভাবে উপস্তাপন করতে পারার মতো জ্ঞ্যান লাভ করি তা হলে আবার ও এই লেখাকে আপডেট করে সম্পাদন করবো। আল্লাহ হাফেজ।💚💚💚

শুক্রবার, ৮ মার্চ, ২০২৪

সাহসিকতা,

সাহস আর ভয় এই দিয়ের মধ্যে আমরা সবাই পরিচিত। আমাদের সবার কাছে ই এই সাহস আর ভয়ের উপস্তিতি রয়েছে। সাহস আর ভয়ের জন্য কি কোনু ট্রেনিং আছে? কখন কি ভাবে সাহসের  আর কখন কি ভাবে ভয়ের ব্যাবহার তার কি কোনু ধারনা আমাদের আছ্র? এই বিষয়ে যত কথা আলোচনা আর গবেষণা আছে তা নিয়ে আজকের এই আলোচনা।

সাহস সব সময় গর্জন করে না । মাজে মাজে দিনের শেষে শান্ত কন্টস্বর বলে আমি আগামিকাল আবার চেস্টা করবো। কথা টা  বলেছেন, মেরি অ্যানর জাডমাচার।

বিশ্বে সাহসের সব চেয়ে বড় পরিক্ষা হলো হৃদয় না হারিয়ে পরাজয় সজ্য করা। রবাটগ্রিন ইনগার সোলের বানি। আর ও আছে সাফল্য চুড়ান্ত নয় ব্যারথতা মারাত্বক নয়  জীবন চালিয়ে যাওয়া টা গুরুত্বপূর্ণ। (উইনস্টন চারচিল) সাহস নিয়ে এই রকম হাজার ও উক্তি আছে ভিবিন্ন গুনিজনের কথায় আর নানা রকম বইয়ের পাতায়। কিন্তু বাস্তবতায় সাহসের প্রয়োগ কি এই সব উক্তির আদলে ব্যাবহার করা সম্ভব?

ভয়ের ব্যাপারে ও এক ই ধরনের সমস্যা আছে।গুনিজনের কথা আর  বইয়ের পাতায়  যে সকল উক্তি আছে তা আপনি বাস্তবতার সাথে ব্যাবহার করতে পারবেন না। সমাজের সাথে চলতে গিয়ে তা সবাই  কিছু না কিছু উপলদ্ধি করতে পেরেছেন। ভয় কে জয় করা আর সাহস কে শান  দেয়া র মোটিভেশন কি ভাবে করা যায় ?

গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয় নিয়ে  কিছু লিখবো এই আশা করছি।


বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০২৪

সংবাদ

 সংবাদ/খবর/বিবরন ছাড়া আর কি বলা যায় মনে পড়ছে না। তবে যে তিন টা শব্দের ব্যবহার করেছি তা আশা করি সবাই বুজতে পেরেছেন, সংবাদ বলতে আমরা জা বুজি তার মানে হলো আমাদের চারপাশে যে সকল ঘটনা দুরঘটনা ঘটে থাকে তা সবার মাজে পোউছাই দেয়া কে সংবাদ বলা হয়,

এই সংবাদ বলা শুনার প্রয়োজনীয়তা কি? তা আমার কাছে একটা কোউতুহল বলা যায়, কারণ অন্যের কাহিনি শুনে তা আমার কি কাজে লাগবে? তা আমার বোধগম্য নয়, কিন্তু খবর বা সংবাদ শুনা আর জানার আগ্রহ অনেক। 

যে বস্তুর উপকারিতা সম্পর্কে জানা নেই সেই বস্তুতে আগ্রহ তা সত্যিই অবাক হবার বিষয়, আচ্ছা এখন কেন যেন মনে হলো যে সংবাদ দিয়ে আমার উপকারিতা নেই তার পরে ও শুনার অতি আগ্রহ তা হলে সেই আগ্রহ আবার কোনো ক্ষতির কারণ হচ্ছে না তো?

এইবার ভাবতে শুরু করি যে সংবাদ শুনে আমার মনে কি রকম প্রতিক্রিয়া হয়।তা শুনে আমি কি চিন্তা করি? কেন সংবাদ শুনতে এত আগ্রহী আমি? তার ব্যাখা করা শুরু করি। 

ভাবতে গিয়ে অবাক লাগে যে আমার এই খবর শুনার আগ্রহ আমাকে আমার জীবনের অনেক টা সময় কেড়ে নিয়েছে, অনেক ভাল মন্দ খবর শুনে কত যে ভাবতে আর বলতে ব্যয় করছি তার হিসাব করি নাই, 

আর আজকে জখন হিসাব মিলাতে গেছি তখন আর এই সময় কে ফিরে পাবো না, অন্যের খবর শুনতে দেখতে আর পড়তে গিয়ে নিজের জীবনের খবর করে দিছি,  আর এই নিজেকে খবর বানিয়ে ফেলা আমি সংবাদ থেকে কখনো কিছু বিনোদন পাইলে ও কষ্ট পেয়েছি তার থেকে অনেক বেশি, তবুও খবর শুনেছি শুনছি,

তবে এতদিন কেন ভাবিনি? আর এখন কেন ভাবতেছি? তার বিস্তারিত আলোচনা করবো, আগে খবর শুনার মাধ্যম ছিল রেডিও টেলিভিশন আর সংবাদপত্র, এই গুলো থেকে আমরা ভিবিন্ন বিনোদনের পাশাপাশি খবর ও শুনতে পারতাম,। তার মধ্যে সব সময় সমাজের অসংগতি ছাড়া ও জরুরি নানান বিষয় কে সংবাদের মাধ্যমে তুলে ধরা হতো,

কিন্তু এখন তত্য প্রযুক্তির এই উন্নত দুনিয়ায় সংবাদের নামে চারিদিকে চলছে বেলাল্লাপনা, যা খুব ই হতাশার। আর এই হতাশা জনক বিষয় দেখে আমি মর্মাহত। 

মঙ্গলবার, ৫ মার্চ, ২০২৪

একটি সুখি জীবন

 শামীম তার জন্মের পর থেকে এখন বয়স চল্লিশ বছর নয় মাস এগার দিন পার করেছে, শাহেদ তার থেকে প্রায় পাঁচ বছরের বড়, শামিম শাহেদ দুই জনে খুব ভাল বন্দু, এক জন আরেক জনের সাথে খুব ই কনিস্ট, কেউ কাউকে মনের কথা বলা ছাড়া থাকতে পারে না ,কিন্তু শাহেদের মনে একটা ই প্রশ্ন? শামিমের কাছে কখনো ভালো নেই, সমস্যায় আছি, জামেলা আছে, এমন কোনু কথা এক বারের জন্য ও শোনে নি, ব্যাপার টা শাহেদের কাছে যখন খেয়াল হলো, তখন তো সে এতটা ই অবাক হইলো যে কি ভাবে সম্ভব? শামিম কে প্রশ্ন করে জানবে তা ও ঠিক লাগছে না,

শাহেদ তার অন্যান্য বন্দুদের কাছে জানতে চাইলো যে শামিম এর কাছে কখনো কি তার কোনু প্রকার সমস্যার কথা শুনেছে কি না, যে কয়েক জনের কাছে জিজ্ঞেস করা হইলো সবার উত্তর এক ই যে কখনো শামীম বিপদে আছি সমস্যায় আছি একটু সাহাজ্য দরকার এমন কোনু কথা তার কোনু বন্ধুকে বলে নি, শাহেদ,নাজিম,সোহেল,সিদ্দিক,মাছুম এই পাঁচ জন এক সাথে বসে এই নিয়ে কথা বলছিল, তাদের কথা বলা অবস্তায় শামিম এসে উপস্তিত হলো,

আসসালামু আলাইকুম ও রহমতুল্লাহি ওবারাকাতু, এই ভাবে সবাইকে সালাম দিয়ে কুশল জিজ্ঞেস করলো সবাইকে,শাহেদ রা ও সবাই সালামের উত্তর দিয়ে শামিমের খোজ খবর জানতে চাইলে শামীমের উত্তর আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি, শামীমের উত্তর শুনে শাহেদ নাজিম সোহেল রা একে অন্যের দিকে চাওয়া চাওয়ি করলে ও কেউ কোনু কথা বলে না,

শামীম তাদের এই দিকে কোনু লক্ষ্য না করে ই প্রশ্ন করে তোদের কি খবর ,কেমন যাচ্ছে তোদের দিনকাল? শামিমের প্রশ্ন শুনে সবাই একে একে তাদের কথা বলতে থাকে, জমে উঠে ছোট খাট একটা আড্ডা, কিছুক্ষন আড্ডা দেয়ার পর যে জার মতো করে চলে যায় , থাকে শুধু শাহেদ , শামীম বলে চল উঠা যাক, শামীমের কথায় শাহেদ নড়ে ছড়ে বসে, বলে চল, দুই জনে যে জার গন্তব্যের দিকে হাটা শুরু করে,

শাহেদের মনের মাজে জমে থাকা শামিমের সুখি জীবন এর মানে টা কি হতে পারে? এই ভাবনা সে কিছুতে ই তার মন থেকে সরাতে পারছে না, সত্যি ই কি শামিম সুখি? আসলে ই কি তার জীবনে কোনু সমস্যা নেই?  না কি সে তার সমস্যার কথা তার বন্দুদের সাথে শেয়ার করে না? এমন তো হবার কথা নয়, কারন শামীম তার জীবনের খুটিনাটি সব ই শাহেদের সাথে শেয়ার করে থাকে,

এই তো সে  দিন তার বাসায় সামান্য জালমুড়ি বানিয়ে খাওয়া নিয়ে কি মজা করে ই না একটা গল্প বলে গেল, যে বন্ধু বাড়িতে সামান্য জাল্মুড়ি বানিয়ে খাওয়া নিয়ে গল্প করতে ভুলে না সে সমস্যায় পড়লে তার সাথে শেয়ার করবে না এমন টা হতে পারে না, শাহেদ শামীম কে নিয়ে এতটা ই ভাবনা শুরু করে যে এখন মনে হচ্ছে শামিমের সুখি জীবন টা শাহেদ কে অসুখি করে তুলেছে,

শামীম পেশায় একজন ব্যাংক অফিসার, একটা প্রাইভেট ব্যাংকে চাকরি করে, নিজের শহরে ই, শামীমের বাড়ি শহরের কাছে হওয়ায় সে তার নিজ বাড়ি থেকে যাতায়ত করে অফিসে, অফিসে সে তার দায়িত্তে থাকা কাজ সে জতাজত পালন করে, অফিস শেষে ঠিক সময়ে বাড়ি ফিরে আসে, বাড়ি ফেরার পথে সংসারের প্রয়োজনিয় বাজার করে নেয়, বাড়িতে শামিমের মা বাবা ছোট ভাই ছাড়া ও তাদের দুই ভাইয়ের বউ এবং শামিমের দুই সন্তান আর তার ছোট ভাইয়ের একটা সন্তান রয়েছে,

শাহেদের মনে প্রশ্ন? শামিমের পরিবারের কাউকে নিয়ে ও ত সে কখনো কোনু অভিজোগ করতে শুনি নাই, তার স্ত্রীর সাথে ও কখনো কোনু মনমানিল্য হয়েছে এই রকম কোনু কথা শাহেদ কে বলছে তা ও মনে পড়ছে না, how possible ?

শাহেদের এই অবাক করা শামিমের লাইফ স্টাইল নিয়ে ভাবতে গিয়ে সে এখন রিতিমত শামিমের পিছনে গোয়েন্দাগিরি শুরু করে দিয়েছে, শামীম কি করে? কোথায় যায় ? কি বাজার করে? বাবা মায়ের সাথে তার কেমন ব্যাবহার? শামিমের বউয়ের সাথে তার কেমন ব্যাবহার? ছোট ভাইয়ের চাওয়া পাওয়া কি? সব কিছু কে শাহেদ খুঁটিয়ে দেখার চিন্তা করে,

কিন্তু সে তার চলাফেরা আছার ব্যাবহার থেকে কোনু প্রকার স্পেসাল কিছু ই খুজে পায় না , শুধু এই একটা ব্যাপার ই লক্ষ্য করে যে সবার সাথে তার কথা বলার ধরন এবং চলাফেরা টা খূব সাভাবিক, তবে শামিমের কথা বলার ধরন খুব ই চমৎকার, আর সে কথা বলে খুবই ঘুছিয়ে, আর এই ভাবে সে শুধু বাড়ির লোকজন নয় বাড়ির বাহিরে বন্দু বান্দবের সাথে ও এক ই ভাবে কথা বলে, শামিমের সাথে কথা বলে কখনো কারো ই বিরক্তি লাগবে না,

শাহেদ বেশ কয়েক দিন শামিমের চলাফেরা আচরন বিদি পর্যবেক্ষণ করে নিজেই ক্লান্ত , তবুও শামিমের সুখি জীবনের রহস্য বের করতে পারলোনা, কয়েক দিন উন্মাদের মতো চলে শাহেদ অসুস্ত হয়ে পড়ে, শাহেদের অসুস্ততার খবর শামীমের কাছে পৌঁছাইলে শামীম শাহেদ কে দেখার জন্য তার বাড়ির দিকে রওয়ানা দেয়, শাহেদের বাড়ি শামীমের বাড়ীর কাছাকাছি  হওয়ায় সেখানে পৌঁছাতে খুব বেশি সময় লাগে না।

শামীম শাহেদের বাড়ীর উঠান থেকে ই শাহেদ কে ডাক দেয়, শাহেদ ''''' বাড়ী আছোত? শামীমের ডাকে শাহেদ জবাব দিয়ে বলে হা ঘরে ই আছি ভেতরে আয়।শামীম শাহেদের ঘরে প্রবেশ করতে করতে শাহেদ কে সালাম দিয়ে জিজ্ঞেস করে শুনলাম তোর শরীর অসুস্থ তা কি হয়েছে? 

শাহেদ শামীমের প্রশ্নের উত্তর দেয় তেমন কিছু না এই একটু জর ঠান্ডা ঔষধ এনেছি /খাইতেছি ঠিক হয়ে যাবে। তোর কি খবর সব কিছু ঠিক আছে তো?শামীম জবাব দেয় আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি আর আল্লাহর রহমত সব কিছু ঠিক আছে। 

দুই জনের আলাপচারিতা শেষ করে শামীম শাহেদের থেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে যায় আর শাহেদ কে বলে যায় সে যেন কোনো প্রয়োজন হলে শামীম কে খবর দেয়।শামীম চলে যাবার পরে শাহেদ তার বউকে ডেকে জিজ্ঞেস করে যে আচ্ছা তুমি কি কখনো শামীমের বউয়ের কাছে তাদের সংসারের কোনো সমস্যা ঝগড়া বিবাদ কথা শুনেছ?

শাহেদের বউ জবাব দেয় কই না তো।শামীম ভাই এর বউ তো কোনো দিন ই তাদের সংসারের কোনো সমস্যা ঝগড়া বিবাদ হইছে এমন কেনো কথা গল্পের ছলে ও বলেন নি।কিন্তু তুমি এই কথা জিজ্ঞেস করছো কেন কি হয়েছে কোনো সমস্যা? 

মেয়ে মানুষ এর মধ্যে একটা দুশ তারা কিছু শুনলে আর কৌতুহলের শেষ থাকে না। শাহেদের বউ ও এর ব্যাতিক্রম নয়।শাহেদের প্রশ্ন শুনার পর থেকে সে শামিম তার বউ তাদের পরিবার নিয়ে নানান প্রকার প্রশ্ন করে শাহেদ কে রীতিমত বিব্রত করে ছাড়লো।শাহেদ একটা সময় বিরক্ত হয়ে বউকে ধমক দিয়ে থামাতে হইলো, 



সোমবার, ৪ মার্চ, ২০২৪

কি হতে পারতাম?

 আমি এখন কি অবস্তায় আছি? আর কি হতে পারতাম? তা ই হচ্ছে আমার ভাবনা, আমি একটা সময় খুব ভালো মনে রাখতে পারতাম সব কিছু, কেউ কিছু বললে বা কোনো কাজ করতে দেখলে খুব অল্পতেই বুঝতে পারতাম, কিন্তু এখন কেন হচ্ছে না?  

এই গুলো ভেবে আমার জন্য খুব খারাপ লাগা শুরু হয়, তাই কোনো কাজে মন বসে না,নিজের প্রতি খুব রাগ হয়, মনে প্রশ্ন জাগে, এই সক্ষমতা টা আমি কি ভাবে হারিয়ে ফেলেছি? আর কি আমি ফিরে পাবোনা আমার সেই গুণ গুলো? 

চেস্টা করতে শুরু করছি,,আল্লাহ ভরসা, দেখা জাক কপালে কি আছে, কিন্তু আমার এই ভাল মনে রাখতে পারা বুজে নিতে পারা হারিয়ে গেল কি ভাবে? 

চিন্তা করতে থাকি, আগে কি করতাম, এখন কি করছি, আর মাজের সময় টা কি হয়েছিল, যেহেতু জীবন টা আমার আর তার জন্য ই প্রচেষ্টা আশা করি সমাধান খুঁজে পাবো,  যদি আল্লাহ সহায় হোন তো, 

রবিবার, ৩ মার্চ, ২০২৪

মানুষ হয়েছি কি?

 ডক্টর আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর স্যারের একটা কথা ছিল, যে হাসের বাচ্ছা জন্মের পরে কোনো সুইমিংপুলে ভর্তি করা লাগে না তবুও জন্মের পর পর ই সাতার কাঠে,এই রকম প্রত্যেক টা জীব জন্তু জন্মের পরে ই তাদের নিজের কর্ম কি তা সহজে ই শিখে নেয়, হাস মুরগী গরু ছাগল এই সকল প্রাণী তাদের জন্মের পরে ই তাদের নিজ নিজ কাজ বুজে নেয়,আর তা কোনো একাডেমিক শিক্ষা ছাড়া ই করতে পারে, পারেনা শুধু মানুষ,

আবার মানুষ একডেমিক শিক্ষা নেয়ার পরে ও কি মানুষ হতে পারছি? আমার কাছে অনেক অদ্ভোদ লাগে ব্যাপার টা, সব প্রানি স্বয়ংক্রিয় নিজের কাজ বুজে নিলে ও মানুষ কেন পারে না?

মানুষের চরিত্র বড় ই বিচিত্র, কখন কি ভাবে আর কখন কি করে তা সে নিজে ও জানেনা, উপরে উপরে সবাই খুব ভাব নিলেও মনের দিকে কি চলছে তা আমরা দেখি না বলে হয়তো বুজতে পারি না, কিন্তু সবাই নিজেকে প্রশ্ন করলে সে যদি সঠিক উত্তর দিতে চায় তাহলে বলতে পারবে না আমি পরিপূর্ণ একজন মানুষ,

কিন্তু তার পরে ও আমাদের সবাই নিজেকে মানুষ পরিচয় দিয়ে বেড়াই, তা কি মিত্যা নয়? আর মিত্যা দিয়ে চলা জীবনের মাজে আমাদের কেমন করে সফলতা আশা করতে পারি?

তাই মিত্যা নয় সত্য কে সাথে নিয়ে চলার জন্য আমাদের সবার আগে সত্যিকারের মানুষ হতে হবে, এই সত্যি কারের মানুষ কে? কি ভাবে সত্যিকারের মানুষ হওয়া যায়? তার উত্তর খুজার চেষ্টা করি,

আপনি প্রথমে আপনার জানা দরকার সত্যিকারের মানুষ কে ছিলেন? তার জীবন পরিচালনা কেমন ছিল?

তা খুজতে গিয়ে আমি এখন পরজন্ত একজন মাত্র খুজে পেয়েছি, তার বিকল্প আর কেউ নেই, হবে ও না, তবে তার অনুস্মরণ করলে আমরা সত্যিকারের মানুষ হবার স্বাদ কিছু টা হলে ও পেতে পারি,

কে সে? কি ছিল তার জীবন ব্যাবস্তা? কি কি করেছেন তার সারাটা জীবন জুড়ে? এই সব গুলো প্রশ্নের উত্তর খুজলে আপনি উত্তর তো পাবেন ই সাথে আপনি আরেকটা প্রশ্ন খুজে পাবেন তা হইলো এই রকম যে কি কাজ টা তিনি করেন নি?

তবে আল্লাহর অনুগ্রহ ছাড়া আমরা মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবো না। তার জন্য দুনিয়ার শ্রেস্ট মানুষের অনুস্মরণ আল্লাহর অনুগ্রহ ই আমাদের কে মানুষের মতো মানুষ হতে সাহায্য করার এক মাত্র পথ।

আল্লাহ আমাদের কে বানিয়েছেন  মানুষ হিসাবে।কিন্তু আমরা রাস্তা হারিয়েছি তার অনুগ্রহ কে নিতে না পেরে। কি ভাবে হয়েছে তার আলোচনা আগে করই।



শুক্রবার, ১ মার্চ, ২০২৪

কেন করবোনা?

 এক টা কাজ করার জন্য আপনি আমি কাজের বিনিময়ে বেনিফিট আশা করি, আর বেনিফিট থাকলে তবে ই কাজ করি, চাকরি করি বেতন পাবো, বেতন নেই বাজার করবো,বাজার করি রান্না হবে,রান্না হয় খাবো বলে,এই ভাবে একটার পরে আরেক টা লেগে ই আছে,আর মরার আগ পরজন্ত লেগে থাকবে এই বিনিময় আর বেনিফিটের খেলা, থামবে একটা সময় , আর তা হবে শেষ বিদায় মানে মিত্যু ,

আমি কখনো মনের গভীর থেকে চিন্তা করে দেখি না কাজের বিনিময়ে পাই আর জীবন চালাই, আপনি কি দেখেন? বলছি চিন্তা করে দেখেন ? বলছি কাজ বিনিময় আর বেনিফিট এর খেলা,

আমি আপনি না দেখলে ও অনেকে দেখে খুজে ভাবে আর হয়তো পেয়ে যায় জীবনের মানে কি? কিন্তু তা সবাইকে শেয়ার করে না, আর করলেও তা ঘুছিয়ে উপস্তাপন করে না, যে কারনে আমরা ঠিক বুজতে পারিনা জীবনের আসল মানে কি?

জীবনের মানে খুঁজে পাওয়া টা আমাদের সবার জন্য ই জরুরি, আমাদের প্রত্যেকের জীবনের বিনিময়ে নিজের এবং দেশের জন্য অল্প হলেও কল্যানকর কিছু রেখে যাওয়া, বলতে পারেন আমার ত নিজের ই চলেনা আমি রাখবো কই থেকে?

তা ছাড়া যাদের আছে তারা তো রেখে যাচ্ছে দেশ ও সমাজের জন্য অনেক কিছু আর তা ভোগ করছি আমরা না রাখতে পারার দল, আমার মনে প্রশ্ন জাগে যেখানে আমি কিছু রেখে যাচ্ছি না সেখান থেকে আমার ভোগ করাটা উচিৎ হচ্ছে কি?

কেমন জটিল মনে হচ্ছে না এই কথা গুলো? হওয়া টা ও সাভাবিক, কারন আমি যা লিখছি তার চেয়ে বেশি আমার মনের মধ্যে রয়ে গেছে, ঘুছিয়ে লেখার ভাসা খুজছি, পেয়ে গেলে তা লিখে ফেলব আশা করছি তা খুব শিগ্রই পাবো,'''''''''''''''''''''''

অনিয়মের বেড়াজালে,

 আমি এই লেখা টা যখন লেখতে বসেছি তার কয়েক ঘন্টা আগে আমাদের এই দেশে একটি অভিজাত এলাকা বেইলি রোডের একটি ভবনে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে মারা গেছেন প্রায় পঞ্চাশ জনের বেশি মানুষ, এই ঘটনার পরবর্তী ভিবিন্ন টিভি চ্যানেলের নিউজ কাভারেজ , ঊর্ধ্বতন ব্যাক্তি বর্গ সমাজ সেবক ছাড়া ও সাধারন মানুষের মন্তব্য বক্তব্য প্রকাশ করা হচ্ছে,

তত্য প্রযুক্তির দিক দিয়ে উন্নত আজকের এই দুনিয়ায় সোস্যাল নেটওয়ার্কে একটিভ থাকার কারনে সব গুলো প্রতিবেদন কে মনোযোগ দিয়ে দেখছিলাম, সজন হারা দের আহাজারি আর লাশের মিছিল স্কিনে দেখে মনের মাজে কেমন যেন হয়ে উটলো,

এই খবর গুলো দেখে নিজের বিবেকের কাছে যাদের প্রশ্ন জাগার কথা তাদের মনে দাগ কাটছে কি? রাজউক/সিটিকরপোরেসন/ছাড়া ও আরো বেশ কিছু সরকারি মনিটরিং প্রতিস্টান আছে, এই সব অফিসের সাথে যে সকল কর্মকর্তা কর্মরত আছেন তারা কি আজকের এই দুরঘটনার দায় এড়াতে পারেন?

এত গুলি প্রান জরে পড়ার মধ্যে কি আপনাদের আপনজন কেউ ছিল না? হয়তো ছিল তার জন্য আপনার মন কেঁদেছে , আর আপনি শুধু দুরঘটনা মেনে নিয়ে কিছুক্ষনের জন্য কেঁদে হয়তো ভুলে যাবেন, নিজেকে জাগ্রত করবেন না,কিছু দিন পরে হয়তো এই রকম আরেক টা ঘটনা ঘটবে,

এই ঘটনার আগেও এমন কিছু ঘটেছিল, আমরা কেদেছিলাম, আবার ভুলেও গেছি, ঢাকা শহরে কন্সট্রাকসনের সাথে অনেকদিন জড়িত ছিলাম বেশ কিছু দিন, এখন ও মাজে মধ্যে কাজ থাকলে করি, আর সেই কাজের অভিজ্ঞতা আর তা করতে গিয়ে ভিবিন্ন শ্রেনি পেশার মানুষের অনিয়ম দেখেছি,

আমার অভিজ্ঞতার আলোকে সল্প জ্ঞ্যানে অল্প কিছু আলোচনা আর তার প্রতিকার নিয়ে লিখবো,জদি কারো পড়া হয় তো ভেবে চলতে অনুরুধ করছি, ঢাকা শহরের বিল্ডিং মালিকদের প্রতি আমার দেখা কোনো ভাড়াটিয়ার প্রজেটিব রিভিউ খুজে পাবেন না, দুই এক জনের কাছে মুখে মুখে শুনলে ও মন থেকে আসে না,

বিল্ডিং বানানোর সময় আবার মালিক ঠিকাদার সম্পর্ক টা ও মালিকের প্রতি ঠিকাদারদের নেগেটিভ রিভিউ ই বেশি,এই মালিক ভাড়াটিয়া বা ঠিকাদার সম্পর্ক ভালো না থাকার কারন কি হতে পারে তা কি ভেবে দেখেছেন?

এই বাজে সম্পর্কের আসল কারন হইলো ভাড়াটিয়ার থেকে বাড়িওয়ালা টাকা নিবে কিন্তু সারভিস দিবে না,আবার ঠিকাদারের থেকে সারভিস নিবে কিন্তু টাকা দিবে না, অথচ এই বিল্ডিং কে মরন ফাদ বানানোর জন্য নিয়মের তোয়াক্কা না করে চলার জন্য অনেক টাকা ব্যয় করবে ভিন্ন রাস্তায়, আমি সেই ভিন্ন রাস্তা বলতে কি বুজাতে চাইছি আশা করি আপনারা বুজতে পারছেন,

অথচ এই ভিন্ন রাস্তা কে বেছে না নিয়ে নিয়িমের মধ্যে থেকে ঠিকাদার থেকে শুরু করে ভাড়াটিয়া পরজন্ত সবার সাথে সুন্দর সম্পর্ক বজায় রেখে ও সমান ব্যাবসা হতে পারতো,

যেহেতু এই বাড়িওলাদের কে বুজাতে আমরা এত গুলো দিন পারি নি,আর তাদের এই অনিয়মের বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে আমরা বার বার এই রকম দুরঘটনার শিকার হই আমাদের আপন জন হারাই তাই সবার আগে দরকার আমাদের কে তাদের বেড়াজাল থেকে বেরোনুর,

তা করবো কি ভাবে? আপনি যেখানে ভাড়া থাকেন সেই বাসার অনুমোদন কয় তলা?কয় ইউনিটের  বাড়ি? আপনার ফ্লাটের আলাদা বিদ্যুৎ এর মিটার আছে কি না? লাইনের গ্যাস থাকলে তা আপনার ফ্ল্যাটের জন্য আলাদা কানেকশন পাশ করা আছে কি না?

এই সব গুলো প্রশ্নের উত্তর জেনে নিয়ে একটা পরিচ্ছন্ন বাড়িতে উঠেন, বাজেটে না কুলালে ভিন্ন চিন্তা করুন, জুকি নিয়ে বসবাস করা টা উচিৎ ? অবশ্য় ই নয়,...